kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


হিযবুতের প্রধান সমন্বয়কসহ ৬ জনের বিচার শুরু

আদালত প্রতিবেদক   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



হিযবুতের প্রধান সমন্বয়কসহ ৬ জনের বিচার শুরু

ফাইল ছবি

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় হিযবুত তাহ্রীরের প্রধান সমন্বয়কারী মহিউদ্দিন আহমেদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে তাঁদের বিচার শুরু হলো।

গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। আগামী ২৪ অক্টোবর সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

প্রধান আসামি ও নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনটির প্রধান সমন্বয়কারী মহিউদ্দিন আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) শিক্ষক। তাঁকে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন তানভীর আহম্মেদ (২০), তৌহিদুল আলম ওরফে চঞ্চল (৩০), সাইদুর রহমান ওরফে রাজীব (২০), কাজী মোরশেদুল হক ওরফে প্লাবন (৪২) ও মো. আবু ইউসুফ আলী (২৮)।

শুনানির সময় আদালতে হাজির চার আসামিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর (১)(খ)/৮/৯(১)/১১/১৩ ধারা অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে আনীত  অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়। তাঁরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

অতিরিক্তি পিপি তাপস কুমার পাল জানান, অভিযোগপত্রভুক্ত সব আসামি জামিনে আছেন। আসামি তানভীর আহম্মেদ ও তৌহিদুল আলম চঞ্চল আদালতে হাজির ছিলেন না। তাঁদের পক্ষে সময়ের আবেদন নাকচ করা হয়েছে। তাঁদের পলাতক দেখিয়ে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। তাঁদের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তিন বছর আগে এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এত দিন পর বিচার শুরুর বিষয়ে তাপস কুমার পাল বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় বিচার আটকে ছিল।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল রাজধানীর উত্তরা থানার ৩ নম্বর সেক্টরের ২ নম্বর সড়কে তাকওয়া মসজিদের কাছে নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহ্রীর বাংলাদেশের কিছু সদস্য সমবেত হয়। তারা রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী লিফলেট ও পোস্টার বিলি করে। তাদের কাছে পেট্রলবোমা ও দাহ্য পদার্থ ছিল। সেখান থেকে তানভীর, সাইদুর রহমান ও তৌহিদুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছয়-সাতজন পালিয়ে যায়। ওই দিনই আটককৃতদের বিরুদ্ধে উত্তরা মডেল থানায় মামলা করা হয়। ২০ এপ্রিল সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর সহযোগী অধ্যাপক মহিউদ্দিন আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২১ এপ্রিল সেকেন্ড ইন কমান্ড কাজী মোরশেদুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়।


মন্তব্য