kalerkantho

শুক্রবার । ২ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আইনমন্ত্রী জানালেন

নূর চৌধুরীকে ফেরত আনার উপায় আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



নূর চৌধুরীকে ফেরত আনার উপায় আছে

কানাডার আইনে বাধা থাকলেও বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীকে দেশে ফেরত আনার উপায় আছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। গতকাল রবিবার সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, উপায় আছে বলেই সে দেশের সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে।

বিচার প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে যুগ্ম জেলা জজ ও সমমর্যাদার কর্মকর্তাদের ১৪ দিনের এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন শেষে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে আনিসুল হক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি নুর চৌধুরী বর্তমানে কানাডায় আছে। সে দেশে একটি আইন আছে। তাদের দেশে যদি কোনো খুনি অবস্থান করে, তাদের ফেরত পাঠালে যদি সংশ্লিষ্ট দেশে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান থাকে তবে তাকে ফেরত পাঠাতে আইনগত বাধা আছে। এ কারণে নূর চৌধুরীকে ফেরত পাঠাতে পারছে না তারা। ’

তবে মন্ত্রী বলেন, এর পরও ফেরত আনার উপায় আছে। এই মুহূর্তে সুনির্দিষ্টভাবে ওই উপায়ের কথা তাঁর জানা থাকলেও তা প্রকাশ করবেন না বলে জানান আইনমন্ত্রী। আইনে স্পষ্ট বাধা থাকলে কিভাবে নূর চৌধুরীকে ফেরত আনা সম্ভব—এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ আছে। তবে ব্যাখ্যা এখনই দিতে চাচ্ছি না। আলাপ-আলোচনা ওই উপায়ের ভিত্তিতেই এগোচ্ছে। উপায় না থাকলে তো আর আলাপ-আলোচনা চলত না। ’

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়। ওই হত্যা মামলার বিচারে অন্য আসামিদের সঙ্গে নূর চৌধুরীরও ফাঁসির আদেশ হয়। নূর চৌধুরী কানাডার টরন্টোতে অবস্থান করছেন। তাঁকে ফেরত আনা নিয়ে

দীর্ঘদিন ধরে আলাপ-আলোচনা চলছে দুই দেশের সরকারের মধ্যে। কিন্তু কানাডা তাঁকে ফেরত পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কানাডা সফরে গেলে নূর চৌধুরীকে ফেরত দেওয়ার বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে। তাঁকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে দুই দেশ আলাপ-আলোচনা করবে বলে মতৈক্যে পৌঁছে।

নূর চৌধুরীর রাজনৈতিক আশ্রয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল করে কানাডা তাঁকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে কয়েকটি সংবাদপত্রে খবর প্রকাশিত হলেও তা সঠিক নয় বলে আগের দিন আইনমন্ত্রী জানান।

বিচারকদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিচার প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মুসা খালেদ। আইনসচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকও এতে বক্তব্য দেন।

 


মন্তব্য