kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সবিশেষ

এলিয়েনে হকিংয়ের সতর্কবার্তা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



এলিয়েনদের খুঁজে বের করার কাজ করতে গিয়ে তাদের পাঠানো সংকেতে প্রতিক্রিয়া জানাতে সাবধান না হলে তারা মানবজাতিকে ধ্বংস করে দেবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। এই প্রথম তিনি এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগের ঝুঁকি সম্পর্কে জানান দিলেন।

তবে এলিয়েনরা প্রাথমিক অবস্থায় মানুষকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করবে না।

হকিং বলেন, ‘যদি আমরা কোনো এলিয়েনের মুখোমুখি হই, তবে সে ঘটনা অনেকটা কলম্বাসের সঙ্গে প্রথম কোনো রেড ইন্ডিয়ানের মুখোমুখি হওয়ার মতোই ঘটনা হবে। আর আমরা যদি রেড ইন্ডিয়ানদের ভূমিকায় থাকি তবে ব্যাপারটা আমাদের জন্য মোটেও ভালো হবে না। ’

স্টিফেন হকিং সম্প্রতি ২৫ মিনিটের একটি অনলাইন ফিল্মে কাজ করেন। সেখানে দেখা যায়, একটি মহাকাশযান তাঁকে কসমস পেরিয়ে মহাশূন্যের একটি ভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি ১৬ আলোকবর্ষ দূরের গ্রহ গ্লিজ-৮৩২সি-তে ভ্রমণকারীর ভূমিকায় ছিলেন। অনেকের ধারণা সেই গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে। হকিং বলেন, ‘আমার বয়স যত বাড়ছে ততই মনে হচ্ছে মহাশূন্যে আমরা একা নই। তাদের খুঁজে বের করতে আমি গোটা জীবন কাটিয়েছি। আর এ কাজে নতুনভাবে নেতৃত্ব দিতে চাই। ’

গ্লিজ-৮৩২সি গ্রহ সম্পর্কে জানা যায়, এটি আমাদের এক লাখ আলোকবর্ষজুড়ে বিস্তৃত মিল্কিওয়েতে পৃথিবী থেকে প্রায় ১৬ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। গ্রহটি তার কক্ষপথে প্রতি ৩৬ দিনে একবার একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে। নক্ষত্রটি আমাদের সূর্যের চেয়েও ছোট, তুলনামূলক আলো কম এবং সূর্যের চেয়ে শীতল। তবে গ্লিজ-৮৩২সি গ্রহটি আমাদের পৃথিবীর প্রায় পাঁচ গুণ বড়। ২০১৪ সালে রবার্ট হুইটেনমায়ার নামের এক বিজ্ঞানীর নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের একদল গবেষক এই গ্রহটি আবিষ্কার করেন। যেখানে প্রাণের অস্তিত্ব আছে এমন অনুমান করছেন বিজ্ঞানীরা।

হকিং বলেন, ‘আমাদের পাঠানো যেকোনো মেসেজ এলিয়েনরা পড়তে পারার মতো সক্ষম হতে হলে তাদের আমাদের থেকেও কয়েক বিলিয়ন বছর অগ্রসর থাকতে হবে। কাজেই তারা হবে আমাদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। আর আমাদের অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর বলেই মনে করবে, যেভাবে আমরা কোনো ব্যাকটেরিয়াকে মনে করি। ’ সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট।


মন্তব্য