kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ

দুই অংশের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



দুই অংশের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দুই অংশের (উত্তর ও দক্ষিণ) পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। গতকাল রবিবার দলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিটি ৬৯ সদস্যের  কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

উভয় কমিটিতেই মহানগরের পুরনো প্রভাবশালী বেশ কয়েকজন নেতা বাদ পড়েছেন। এ নেতাদের ঠাঁই হয়েছে মহানগর কমিটির উপদেষ্টা পরিষদে।

অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এবং কমিটির তিন সাবেক সহসভাপতি কামাল আহমেদ মজুমদার, মুকুল চৌধুরী ও ফয়েজ উদ্দিন মিয়ার ঠাঁই হয়েছে উপদেষ্টা পরিষদে। অবিভক্ত কমিটির দুই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাঈদ খোকন ও হাজি মো. সেলিমকেও গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে রাখা হয়নি। এ দুই নেতাকেই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির সদস্য করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগে ৯ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদে রাখা হয়েছে উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হককে। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী রাজনীতিতে সম্পৃক্তি ঘটল ব্যবসায়ী আনিসুল হকের।

তবে অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের কয়েকজন পুরনো নেতার স্থান হয়েছে উত্তরের কমিটিতে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বজলুর রহমান, আসলামুল হক এমপিকে এই কমিটির সহসভাপতি করা হয়েছে এবং এস এম মান্নান কচিকে করা হয়েছে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। দক্ষিণে পুরনো গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মধ্যে আওলাদ হোসেনকে সহসভাপতি করা হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের মামলায় নিজ জামাতার সম্পৃক্ততার কারণে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। অন্যদিকে গম কেলেঙ্কারি নিয়ে বিতর্ক ওঠায় ইমেজ সংকটে পড়েন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী ছিলেন অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আর কামরুল ইসলাম ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

 

 


মন্তব্য