kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


টঙ্গীতে বিকাশকর্মীকে গুলি করে হত্যা

২০ লাখ টাকা লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর ও টঙ্গী প্রতিনিধি   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



টঙ্গীতে বিকাশকর্মীকে গুলি করে হত্যা

গাজীপুরের টঙ্গীতে বিকাশের নিরাপত্তাকর্মীকে গুলি করে হত্যা করে ব্যাগভর্তি টাকা লুটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে টঙ্গীর গাজীপুরার সাতাইশ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বিকাশকর্মীরা ব্যাগে ২০ লাখ টাকা ছিল বলে দাবি করেছেন।

নিহত নিরাপত্তাকর্মী শেখ মো. আব্দুল হামিদ (৫০) বাগেরহাটের রামপাল থানার বড় কাতলা গ্রামের মৃত মোমেন উদ্দিনের ছেলে। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য।

টঙ্গীর সেনাকল্যাণ কমার্শিয়াল ভবনে অবস্থিত বিকাশ এজেন্ট জয়নাল আবেদীন অ্যান্ড সন্সের কর্মী এমদাদুল ইসলাম জানান, গানম্যান হামিদ ও সহযোগী সুব্রত বিশ্বাসকে নিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রাইভেট কারে করে সকাল ১০টার দিকে টাকা সংগ্রহ করতে বের হন তিনি। টঙ্গীর হোসেন মার্কেট, এরশাদনগর, খাঁ পাড়া, সাতাইশ সড়কসহ আশপাশের বিভিন্ন সাব-এজেন্টের দোকান থেকে টাকা সংগ্রহ করে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সর্বশেষ সাতাইশ বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন মা মিডিয়া সেন্টারের টাকা সংগ্রহ করছিলেন তিনি।

হঠাৎ পিস্তল হাতে পাঁচ-ছয় যুবক মা মিডিয়া সেন্টারে প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে দুজন এমদাদুল ইসলামের শরীরে পিস্তল ঠেকিয়ে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। নিরাপত্তারক্ষী হামিদ তাদের প্রতিহত করতে ফাঁকা গুলি করেন। এ সময় অস্ত্রধারী ব্যক্তি নিরাপত্তারক্ষীর মাথা লক্ষ্য করে পর পর কয়েক রাউন্ড গুলি করে। তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে যুবকরা টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় হামিদকে টঙ্গী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রাইভেট কারের চালক সুদেব মিস্ত্রি জানান, তিনি গাড়িতে ছিলেন। গুলির শব্দ পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে যুবকদের টাকার ব্যাগ হাতে দুটি মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যেতে দেখেন।

টঙ্গী থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, নিহতের মাথায় তিনটি গুলি লেগেছে। কত টাকা লুট হয়েছে বিকাশের লোকজন সঠিকভাবে জানাতে পারেনি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে তারা মামলার এজাহারে ২০ লাখ টাকা লুট হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে।

গাজীপুর পুলিশের বিশেষ শাখার ওসি মোমিনুল ইসলাম জানান, সংগৃহীত টাকা গাড়িতে না রেখে মা মিডিয়া সেন্টারে নিয়ে যাওয়া রহস্যজনক। তাই বিষয়টি তদন্তে পুলিশের একাধিক দল মাঠে নেমেছে।


মন্তব্য