kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রয়টার্সের জরিপ

হিলারিকে টপকে গেলেন ট্রাম্প

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



হিলারিকে টপকে গেলেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প জরিপে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হিলারি ক্লিনটনের নাগাল পেয়েছেন। বেশ কয়েক সপ্তাহ পর যথাকিঞ্চিত হলেও এগিয়েছেন তিনি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স/ইপসোস পরিচালিত জরিপে তিনি এখন হিলারির চেয়ে এক পয়েন্টে এগিয়ে। গত শুক্রবার এই জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়। তবে রয়টার্স/ইপসোস-এরই পৃথক জরিপে দেখা যায়, ইলেকটোরাল কলেজের ভোটে এখনো এগিয়ে আছেন হিলারি।

জরিপে দেখা যায়, এ সপ্তাহে ট্রাম্প ৪০ শতাংশ অংশগ্রহণকারীর রায় পেয়েছেন। আর হিলারি পেয়েছেন ৩৯ শতাংশের সমর্থন। ২৬ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই জরিপ চালানো হয়। ২৫ আগস্ট প্রকাশিত জরিপেও ৮ পয়েন্ট এগিয়ে ছিলেন হিলারি। জরিপে রিপাবলিকান পার্টির সমর্থকদের অংশগ্রহণ বাড়ার পর থেকেই ট্রাম্পের অগ্রগতি স্পষ্ট হচ্ছে। গত দুই সপ্তাহে ৭৮ শতাংশ রিপাবলিকান তাদের প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। যদিও এর আগেরবার অর্থাৎ ২০১২ সালে রিপাবলিকান প্রার্থী মিট রমনির প্রতি রিপাবলিকান দলের সমর্থন ছিল ৮৫ শতাংশ।

৫০টি রাজ্যে রয়টার্স অনলাইনে জরিপ চালায়। এতে অংশ নেয় এক হাজার ৮০৪ জন। প্রচার চলাকালে অবশ্য বহু প্রতিষ্ঠান নিজেদের মতো করে জরিপ চালায়। এগুলোর ফলাফলেও তারতম্য থাকে।

গত কয়েক সপ্তাহের জরিপ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, হিলারির জনপ্রিয়তা ক্রমেই কমছে। দুই প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরো তীব্র হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সরাসরি নির্বাচন করতে পারে না ভোটাররা। ৫০টি রাজ্য এবং ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার ইলেকটোরাল কলেজও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রাজ্যে জনসংখ্যার ভিত্তিতে ইলেকটোরাল সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। রয়টার্স/ইপসসের জনপ্রিয়তা নিরিখে হিলারি ও ট্রাম্প কাছাকাছি হলেও এই ইলেকটোরাল কলেজের ভোটে অনেকটাই এগিয়ে আছেন হিলারি। রয়টার্স/ইপসসের পৃথক এক জরিপে এ তথ্য পাওয়া যায়। এতে বলা হয়, ইলেকটোরাল কলেজের ৫৩৮টি ভোটের মধ্যে হিলারি পাবেন ৩৩২টি এবং ট্রাম্প ২০৬টি।

সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে ব্যক্তিগত সার্ভারে ইমেইল ব্যবহারের জন্য তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন হিলারি। এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন গত বৃহস্পতিবার এফবিআই প্রকাশ করে। এতে হিলারির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার কথা না বললেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ গোপন তথ্য ব্যবহারে সতর্ক ছিলেন না বলে মন্তব্য করা হয়। মূলত এই ইস্যুটি নিয়েই জরিপে পিছিয়ে পড়ছেন হিলারি। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়তে হিলারি শুরু থেকেই তাঁর অভিজ্ঞতা ও সাফল্যকে পুঁজি করে এসেছেন। এই প্রতিবেদন সেই পুঁজির ওপরই আঘাত করেছে। পাশাপাশি ট্রাম্প যেভাবে প্রচার চালাচ্ছেন, ততটা সক্রিয়তা হিলারির মধ্যেও দৃশ্যমান নয়। সূত্র : রয়টার্স।


মন্তব্য