kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাদের সুরক্ষায় ব্র্যাক পেল স্মার্ট সনদ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাদের সুরক্ষায় ব্র্যাক পেল স্মার্ট সনদ

মাইক্রো ফাইন্যান্স কর্মসূচির সেবাগ্রহীতাদের সুরক্ষায় অঙ্গীকার বাস্তবায়নের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর স্মার্টের সনদ পেয়েছে ব্র্যাক। আন্তর্জাতিক এই সম্মাননা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠান এই প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত ও নেতৃস্থানীয় আরো ৬৩টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হলো।

গতকাল বৃহস্পতিবার ব্র্যাকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বৃহস্পতিবার স্মার্ট ক্যাম্পেইন থেকে এই সম্মাননা ঘোষণা করা হয়। ‘ক্লায়েন্ট প্রোটেকশন সার্টিফিকেশন’ একটি নিরপেক্ষ, তৃতীয় পক্ষ মূল্যায়িত সর্বজনীন স্বীকৃতি। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সেবাগ্রহীতাদের সুরক্ষায় কতটা সন্তোষজনকভাবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে তার ওপর ভিত্তি করে এই সনদ দেওয়া হয়।

এই সনদ অর্জনের জন্য স্মার্ট ক্যাম্পেইনের ‘ক্লায়েন্ট প্রোটেকশন নীতিমালা’র সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ব্র্যাক তার নীতিমালা ও কার্যপ্রণালী নিবিড় নিরীক্ষার মাধ্যমে অগ্রসর হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় ব্র্র্যাকের ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির গ্রাহকের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ, স্বচ্ছতা, ন্যায্যমূল্যে সেবাদান এবং অতিমাত্রায় ঋণগ্রস্ততা প্রতিরোধের মতো বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হয়।

স্মার্ট সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়ায় প্রথমে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নথিপত্র মূল্যায়নের পর ব্র্যাক কর্তৃপক্ষ, কর্মী এবং ঋণগ্রহীতাদের সরাসরি সাক্ষাৎকার ও কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করা হয়। ‘মাইক্রোফাইন্যান্স রেটিং’ নামে একটি আন্তর্জাতিক বিশেষায়িত ক্ষুদ্রঋণ রেটিং এজেন্সি এই প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।

এ প্রসঙ্গে ব্র্যাকের মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির পরিচালক শামেরান আবেদ বলেন, ‘স্মার্ট সার্টিফিকেট পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা বরাবরই সেবাগ্রহীতাদের সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকি। এই অর্জন দরিদ্রদের চাহিদানুযায়ী দায়িত্বশীলভাবে আর্থিক সেবাদানে আমাদের কর্মসূচির কার্যকারিতা প্রমাণ করে। ’


মন্তব্য