kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জন কেরি বললেন

আইএস দমনে ভারতেও যৌথ প্রয়াস দরকার

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



আইএস দমনে ভারতেও যৌথ প্রয়াস দরকার

বাংলাদেশের মতো ভারতেও আইএসের মতো সন্ত্রাসী সংগঠন মোকাবিলায় যৌথ প্রয়াস দরকার। কোনো একক রাষ্ট্র দায়েশ (আইএস), আল-কায়েদা, লস্কর-ই-তৈয়বা, জইশ-ই-মোহাম্মদের মতো সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে না।

তিন দিনের ভারত সফরের শেষ দিন গতকাল বুধবার নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (আইআইটি) শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বত্তৃদ্ধতায় এ কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি।

বাংলাদেশের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিয়ে আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতের রায় মেনে নেওয়ায় ভারতের প্রশংসা করেন জন কেরি।

ভারত প্রতিষ্ঠিত শক্তি—এ কথা উল্লেখ করে এর অগ্রযাত্রার প্রশংসা করেন কেরি। পাশাপাশি নাগরিকদের অধিকার ও বিশ্বাসকে সম্মান জানানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি বলেন, নির্ভয় প্রতিবাদ ও মত প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

গত সোমবার ঢাকায় বক্তব্য দেওয়ার সময় কেরি বলেছিলেন, সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ দমনের অন্যতম উপায় মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা। গতকাল নয়াদিল্লিতে তিনি বলেন, বিভাজন কোথাও ভালো নয়। অসহিষ্ণুতা ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে হতাশার বিষয়েও আলোকপাত করেন তিনি।

কেরির এ বক্তব্যকে গত বছর জানুয়ারি মাসে নয়াদিল্লিতে ভারতে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মন্তব্যের প্রতিধ্বনি অভিহিত করেছে ভারতের সংবাদমাধ্যম।

বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকালও দিল্লির যানজটে আটকা পড়েছিলেন তিনি। ফলে তাঁর ধর্মীয় স্থাপনা পরিদর্শন পরিকল্পনা বাতিল করতে হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে বেশ কিছু টুইটে কেরির বত্তৃদ্ধতা অনুষ্ঠান সম্পর্কে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানস্থলে যাওয়ার পথ প্রবল বৃষ্টির কারণে জলমগ্ন ছিল। সেখানে পৌঁছার পর আইআইটি শিক্ষার্থীদের কাছে কৌতুক করে তিনি জানতে চান, ‘তোমরা কি নৌকায় করে এসেছ?’

ডেইলি নিউজ অ্যান্ড অ্যানালাইসিসের (ডিএনএ) অনলাইনে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে জন কেরিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ভারত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হতে পারবে কি না। উত্তরে তিনি বলেন, সুযোগ আছে। তবে এটি বেশ জটিল প্রক্রিয়া।

জন কেরি বলেন, সহিংস উগ্রবাদের মূল কারণগুলোর বিষয়ে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণগুলোর ভিন্নতা বুঝতে হবে, এ জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। সহিংস উগ্রবাদের কারণ দেশ ও স্থানভেদে ভিন্ন।

জন কেরি দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে আন্তর্জাতিক টাইব্যুনালের রায়ের প্রতি সম্মান জানাতে চীন ও ফিলিপাইনের প্রতি আহ্বান জানান।

 


মন্তব্য