সুন্দরবনে বারবার আগুন
ভূমি আর মাছের ‘খনি’ কবজা করতে নাশকতা!
বর্ষামঙ্গল

জামায়াত জোট ছাড়ল খেলাফত মজলিস

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছাড়ল খেলাফত মজলিস। গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল হাফিজ খসরু।
এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকবে। তবে ভবিষ্যতে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়োজন হলে বিষয়টি তারা বিবেচনা করবে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১১ দলীয় ঐক্য ছিল মূলত নির্বাচনী সমঝোতা। নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ায় এই ঐক্যের কার্যকারিতা বস্তুত শেষ হয়ে যায়।
তবুও নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ১১ দলীয় কিছু কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিস অংশ নেয়। এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের জন্য প্রয়োজন হলে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়াস-প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দলটির নেতারা কালের কণ্ঠকে জানান, গত এক-দেড় মাস ধরে ১১ দলের কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিস অংশ নেয়নি। গতকাল এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই মুহূর্তে আমরা এই জোটের সঙ্গে আর থাকছি না। ভবিষ্যতে বৃহত্তর কোনো আন্দোলন এলে আবারও একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ আছে।
খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় অধিবেশনে নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, অধ্যাপক সিরাজুল হক, মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, মুফতি আবদুল হামিদ, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, এ বি এম সিরাজুল মামুন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো. আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, মুফতি আবুল হাসান এমপিসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সৌদির হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নেওয়ার আশঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আঞ্চলিক যুদ্ধের সর্বশেষ উত্তেজনায় সৌদি আরব ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত হোদেইদাহ শহরে হামলা চালিয়েছে। জবাবে হুতিরাও সৌদি আরবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই পাল্টাপাল্টি হামলার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি অবনতির দিকে ছুটতে পারে। অন্যদিকে উপসাগরীয় দেশ বাহরাইন ও কুয়েত চলতি মাসের শুরুতে নীরবে যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে ইরানের অভ্যন্তরে একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। এই খবর ইরানিদের খেপিয়ে তুলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সৌদি আরবের এই হামলায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে হুতি সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা হুমকি দিয়ে বলেছে, শনিবার ভোররাতে চালানো এই হামলার জন্য রিয়াদকে চড়া মূল্য দিতে হবে। উল্লেখ্য, হুতি নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের অঞ্চলগুলোর জন্য হোদেইদাহ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী। এই বন্দর দিয়েই হুতি নিয়ন্ত্রিত উত্তর ইয়েমেনে বাণিজ্যিক পণ্য ও মানবিক সহায়তার বেশির ভাগ চালান প্রবেশ করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আরো বলা হয়, ‘হোদেইদাহকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে সৌদি আরব উত্তেজনার জবাবে পাল্টা উত্তেজনার নীতিকেই আগামী দিনগুলোতে সংঘাতের ভিত্তি বানিয়েছে।’
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং হুমকি দেওয়া ‘ব্যাপক’ হামলার প্রয়োজন না-ও হতে পারে; যদিও যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রস্তুত ও সক্রিয়’ রয়েছে। জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তেহরান হুমকিকে ভয় পায় না বা চাপের কাছে নতি স্বীকার করে না।
৪ জাহাজ আটক করেছে ইরান : ইরানের আইআরজিসি জানিয়েছে, সতর্কতামূলক গুলি চালানোর পর তারা হরমুজে চারটি জাহাজ আটক করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী সতর্কতামূলক গুলি চালিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালিতে চারটি জাহাজ আটক করেছে। জাহাজগুলো প্রণালিটির দক্ষিণ করিডর দিয়ে অতিক্রম করার পরিকল্পনা করছিল, যেটিকে আইআরজিসি একটি ‘অনিরাপদ পথ’ হিসেবে বিবেচনা করে।আইআরজিসি বলেছে, যেকোনো জাহাজ ‘অননুমোদিত’ পথ ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার চেষ্টা করলে ‘কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে , যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের এই গুরুত্বপূর্ণ পথে বাণিজ্য প্রবাহের ওপর নতুন করে সন্দেহ তৈরি করেছে। হরমুজে পৃথক পথ খোলার সুযোগ নেই যুক্তরাষ্ট্রের : ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি হরমুজে পৃথক পথ খোলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করে বলেছেন, সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) ৫ নম্বর ধারা সুস্পষ্ট এবং এতে বলা হয়েছে, হরমুজ দিয়ে যাতায়াতের পদ্ধতি নির্ধারণ করবে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের একটি পৃথক পথ চালু করা সমঝোতা স্মারকের শর্তাবলির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ধারা-৫-এর আওতায় আনার জন্য হরমুজে কোনো করিডর যুক্ত করা বা অপসারণের বিষয়ে তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের পরামর্শ করা উচিত ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের ‘ঠাণ্ডা-গরম’ কৌশল : অস্ট্রিয়ার সাবেক প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে ভলফগ্যাং পুশতাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে কূটনীতি, অবরোধের মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাপ, সামরিক পদক্ষেপসহ সব ধরনের কৌশল ব্যবহারের চেষ্টা করছে। পুশতাই আলজাজিরাকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত উদ্দেশ্যগুলো অর্জনের জন্য এই তিনটি দিকই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এর মানে হলো, সর্বাগ্রে এবং এই মুহূর্তে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া।’ তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘পুরো যুদ্ধটির অবসান ঘটানোর ব্যাপারে ইরানিদের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণের সুবিধার্থে এক ধরনের কঠোর ও কঠোর কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। তাই এক রাতে তাদের ওপর বোমা বর্ষণ করা হয়, আরেক রাতে করা হয় না। এটি ইরানিদের ওপর এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপও সৃষ্টি করবে।’
গোপনে যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে প্রথমবারের মতো ইরানে হামলা বাহরাইন ও কুয়েতের : উপসাগরীয় দেশ বাহরাইন ও কুয়েত চলতি মাসের শুরুতে নীরবে যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে ইরানের অভ্যন্তরে একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার লক্ষ্য ছিল ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত স্থাপনা এবং ইরানের আরো কয়েকটি সামরিক অবকাঠামো। সূত্রগুলোর দাবি, তেহরানের বিরুদ্ধে বাহরাইন ও কুয়েতের এটিই প্রথম প্রত্যক্ষ সামরিক অভিযান। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এই অভিযানে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের পাশাপাশি প্রতিরক্ষামূলক আকাশ সহায়তা দিয়েছে। এতে ইরানকে মোকাবেলায় আরব দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরো জোরদার হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এই স্পর্শকাতর সংবাদটি ইরানকে খেপিয়ে তুলতে পারে। সূত্র : আলজাজিরা, মিডল ইস্ট মনিটর, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
ব্যয় সংকোচনে প্রত্যাহার ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট

ব্যয় সংকোচন ও জ্বালানিসংকট মোকাবেলায় ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ প্রোটেকশন এসকর্ট প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে গুরুত্ব বিবেচনায় একজন উপদেষ্টা ও ছয় জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীর জন্য এই সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ১৮ মন্ত্রীর গানম্যান ও হাউস গার্ড থাকছে। তাঁরা ঢাকার বাইরে সফরে পুলিশ এসকর্ট পাবেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরাপত্তা বহরেও কাটছাঁট করা হয়েছিল।
বর্তমান মন্ত্রিসভায় ২৪ জন পূর্ণ মন্ত্রী ছাড়াও প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা মিলিয়ে আরো ২৫ জন রয়েছেন। সাধারণত একজন মন্ত্রীর প্রোটেকশন এসকর্টে একজন উপপরিদর্শক (এসআই) ও চারজন কনস্টেবলের একটি দল থাকে। তাঁদের চলাচলের জন্য পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান বরাদ্দ থাকে। এসকর্ট দলের বেতন-ভাতা ও গাড়ির জ্বালানি ব্যয় সরকারি কোষাগার থেকে বহন করা হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ভিআইপি প্রটোকলে ব্যয় কমাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেয়। পরে সেই নির্দেশনা ডিএমপি কমিশনারের কাছে পৌঁছলে গত সপ্তাহ থেকে ১৮ মন্ত্রীর প্রোটেকশন এসকর্ট প্রত্যাহার করা হয়।
যাঁদের জন্য এসকর্ট সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে তাঁরা হলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন; পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
যাঁদের পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার করা হয়েছে তাঁরা হলেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু; মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান; সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী; ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম; শিল্প, বস্ত্র, পাট ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর; শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক; তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন; কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের; শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ, নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সূত্র জানায়, ভিআইপিদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও চলাচলে সুরক্ষা দিতে শুধু ঢাকায়ই এক হাজার ৬৯১ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁরা ৪৯ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তা দিচ্ছেন। পুলিশের প্রটোকল তালিকায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, বিরোধীদলীয় নেতা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও দুদক চেয়ারম্যান রয়েছেন। এ ছাড়া সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে যেকোনো ব্যক্তিকে ভিআইপি মর্যাদা দিতে পারে।
সরকার সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ভিআইপি মর্যাদা দিয়েছে। তাঁর নিরাপত্তায় পাঁচজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া বঙ্গভবনে ১৩৫ জন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের বাসভবনে ৪০ জন এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নিরাপত্তায় পাঁচজন পুলিশ সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্বে রয়েছেন।
ডিএমপির সূত্র জানায়, ঢাকায় ভিআইপি প্রোটেকশনের জন্য দুই হাজার ৫৭৫ জন পুলিশ সদস্য প্রয়োজন হলেও বর্তমানে রয়েছেন এক হাজার ৬৯১ জন। অর্থাৎ ৮৯৬ জন সদস্যের ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর শারীরিক ও মানসিক চাপ বাড়ছে।
এ ছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় একাধিক থানা ও পুলিশের স্থাপনায় হামলায় অনেক প্রোটেকশন গাড়ি পুড়ে যাওয়ায় বর্তমানে গাড়ির সংকটও প্রকট হয়ে উঠেছে।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
