kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০১৭ । ৬ মাঘ ১৪২৩। ২০ রবিউস সানি ১৪৩৮।


জরিমানার অর্থ জমা দিলেন দুই মন্ত্রী

বিডিনিউজ   

৩ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০



জরিমানার অর্থ জমা দিলেন দুই মন্ত্রী

আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়া খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক জরিমানার অর্থ জমা দিয়েছেন। তাঁদের আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে গতকাল শনিবার এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে ২৭ মার্চ আদালত অবমাননার দায়ে এই দুই মন্ত্রীকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হককে সাত দিনের মধ্যে এই অর্থ ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল ও লিভার ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশে দিতে বলা হয়, তা না হলে খাটতে হবে সাত দিনের বিনা শ্রম কারাদণ্ড।

প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগ দুই মন্ত্রীর নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে ওই রায় দেন।

যোগাযোগ করা হলে গতকাল মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘ওই অর্থ জমা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ’

খাদ্যমন্ত্রীর আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘আমরা বুধবার সংক্ষিপ্ত আদেশের কপি হাতে পাই। আদালতের নির্দেশ অনুসারে বৃহস্পতিবার ২৫ হাজার টাকা ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল ও ২৫ হাজার টাকা লিভার ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশে ডোনেশন হিসেবে জমা দিই। এখন পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপির জন্য অপেক্ষা করছি। পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর পর্যালোচনা করে রিভিউর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ’

গত ৫ মার্চ ঢাকায় একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির এক গোলটেবিল আলোচনায় দুই মন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধী মীর কাসেম আলীর আপিলের রায় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে নতুন বেঞ্চে পুনঃ শুনানির দাবি তোলেন খাদ্যমন্ত্রী। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হকও প্রধান বিচারপতির মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এর তিন দিনের মাথায় আপিল বিভাগ জামায়াত নেতা মীর কাসেমের আপিলের যে রায় দেন, তাতে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। ওই রায় ঘোষণার আগে পুরো আপিল বিভাগকে নিয়ে বসে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা দুই মন্ত্রীকে তলব করে আদেশ দেন। আদালত অবমাননার রুল জারি হয় তাঁদের বিরুদ্ধে।

পরে আদালতে হাজির হয়ে দুজনই আইনজীবীর মাধ্যমে ওই বক্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেন। তবে ২৭ মার্চ ঘোষিত রায়ে দুজনের ওই আবেদন আদালত প্রত্যাখ্যান করেন।


মন্তব্য