kalerkantho


রিজার্ভের অর্থ চুরি

৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার উদ্ধার হতে পারে : রেক্টো

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি যাওয়া আট কোটি ১০ লাখ ডলারের মধ্যে তিন কোটি ৪০ লাখ ডলার উদ্ধার করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব হতে পারে বলে জানিয়েছেন ফিলিপাইনের সিনেটের প্রেসিডেন্ট রালফ রেক্টো।

গতকাল বুধবার ফিলিপাইনের গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

রেক্টো বলেন, অভিযুক্ত ক্যাসিনো ব্যবসায়ী কিম অংয়ের কাছ থেকে এক কোটি ডলার ফেরত পাওয়া যেতে পারে। সিনেটে অংয়ের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, আরো এক কোটি ৭০ লাখ ডলার আছে রেমিট্যান্স কম্পানি ফিলরেমের কাছে। এ ছাড়া ইতিমধ্যে ক্যাসিনোতে শনাক্ত হওয়া ৭০ লাখ ডলার উদ্ধার করা যাবে।  

রেক্টো মনে করেন, ওই অর্থ উদ্ধার করা গেলে বাংলাদেশকে ফেরত দেওয়া সম্ভব।

গত মঙ্গলবার সিনেট কমিটির শুনানিতে ‘মূল হোতা’ কিম অং রিজার্ভ চুরির আট কোটি ১০ লাখ ডলারের মধ্যে মাত্র ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার বাংলাদেশকে ফেরত দিতে সম্মত হন। শুনানিতে অং কোথায় কোথায় চুরির অর্থ এখনো খানিকটা রয়েছে সেই ফিরিস্তি তুলে ধরেন। স্থানীয় একটি ক্যাসিনোর অ্যাকাউন্টে ৬৯ লাখ ডলার রয়েছে বলেও জানানো হয়।  

প্রসঙ্গত, গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টার পর ‘হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে’ যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ১০১ মিলিয়ন ডলার বা ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার অর্থ চুরি যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে দুই কোটি ডলার যায় শ্রীলঙ্কায়, যা পরে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

আর ফিলিপাইনে যায় আট কোটি ১০ লাখ ডলার, যার বেশির ভাগই ক্যাসিনোর জুয়ার টেবিল হয়ে অন্য দেশে পাচার হয়েছে বলে তদন্তকারীদের ধারণা।

ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) মাকাতি সিটির জুপিটার স্ট্রিট শাখার পাঁচটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরির ওই অর্থ স্থানান্তরিত হয়। রিজালের ওই শাখার ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগুইতোও এ ঘটনার সঙ্গে যে জড়িত তা ইতিমধ্যে সিনেট শুনানিতে দেওয়া তাঁর ও কিম অংয়ের বক্তব্যে উঠে এসেছে। ইতিমধ্যে মায়া ও তাঁর সহকারীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে রিজাল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। সূত্র : দ্য ম্যানিলা টাইমস।


মন্তব্য