kalerkantho

সোমবার। ২৩ জানুয়ারি ২০১৭ । ১০ মাঘ ১৪২৩। ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৮।


মাগুরায় পেট্রল পাম্পে চুরি

ভিডিও ফুটেজ দেখে দুই বিদেশি নাগরিক শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী ও মাগুরা প্রতিনিধি   

১৭ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মাগুরার দুটি পেট্রল পাম্প থেকে ৯০ হাজার টাকা চুরির ঘটনায় জড়িত দুই বিদেশি নাগরিককে শনাক্ত করা হয়েছে। ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ধরা পড়া ভিডিও ফুটেজ দেখে পুলিশ তাদের শনাক্ত করে।

তবে তাদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গত মঙ্গলবার শহরের ফাতেমা ও এশিয়া ফিলিং স্টেশন থেকে পুলিশকে জানানো হয়, দুজন বিদেশি নাগরিক তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে দুটি পাম্পের ক্যাশ থেকে ৯০ হাজার ৬০০ টাকা চুরি করে পালিয়েছে।

অন্যদিকে আলাদা ঘটনায় রাজশাহী নগরের অদূরে পবা উপজেলার বায়া এলাকায় মঙ্গলবার রাতে বোমা ফাটিয়ে এক বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

মাগুরা : গতকাল বুধবার মাগুরার পুলিশ সুপার এ কে এম এহসান উল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, পাম্প দুটিতে পুলিশের সহযোগিতায় মাসখানেক আগে লাগানো ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজে দুই বিদেশি নাগরিকের চুরির ঘটনার দৃশ্য রয়েছে। সেখানে দেখা যায়, দুই বিদেশি নাগরিক মবিল কেনার জন্য পাম্পে আসে। তাদের একজন মবিল কেনার জন্য ক্যাশরুমে ঢোকে। একপর্যায়ে মবিলের টাকা দেওয়ার ছলে ক্যাশিয়ারের চোখ ফাঁকি দিয়ে কৌশলে ক্যাশ থেকে টাকা চুরি করে নিজের প্যান্টের পকেটে রাখছে।

অন্যজন পাম্পের কর্মচারীদের ডেকে গল্প করে ও সেলফি তুলে তাদের ব্যস্ত রাখছে। টাকা চুরির পর দ্রুত তারা দুজন পাম্পের বাইরে মূল সড়কে রাখা প্রাইভেট কারে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করছে। আধাঘণ্টার ব্যবধানে তারা একই কৌশলে দুই পাম্পেই ক্যাশিয়ারকে বোকা বানিয়ে ৯০ হাজার ৬০০ টাকা নিয়ে যায়।

এসপি জানান, পাম্পে লাগানো ভিডিও ফুটেজ দেখে দুই বিদেশি নাগরিককে এবং শহরের ভায়না মোড়ে লাগানো ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের ব্যবহৃত গাড়ির নম্বর শনাক্ত করেছে পুলিশ। এখন তাদের পরিচয় উদ্ঘাটনের কাজ চলছে।

এ প্রসঙ্গে শহরের এস এস এন্টারপ্রাইজের মালিক বাবুল কুরি জানান, দুই মাস আগে তাঁর দোকানে মোবাইল ফোনসেট কেনার কথা বলে ক্যাশ থেকে কিছু টাকা চুরি করে দুই বিদেশি নাগরিক। বিদেশিদের এ ধরনের প্রতারণায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে একধরনের আতঙ্ক চলছে।

রাজশাহী : মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পবার বায়া এলাকায় বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ‘আশ্রয়’-এর কার্যালয়ের পাশে হাসিবুল নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ডাকাতরা হাসিবুলের বাড়ির সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সোনার গয়নাসহ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এর আগে গত ২ মার্চ রাতে আশ্রয় কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই দিন ডাকাতদলের সদস্যরা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে।

রাজশাহীর শাহ মখদুম থানার ওসি গোলাম মোস্তফা জানান, ডাকাতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে শুনেছি চুরির ঘটনা ঘটেছে। এর আগের ঘটনাটিও চুরির ঘটনা ছিল। চুরি করার সময় ককটেল ফাটানো হয়েছে কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নাই। ’


মন্তব্য