kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ডাকাত সন্দেহে আটক

ফাঁড়িতে চারজনকে পিটিয়ে হত্যা

নোয়াখালী প্রতিনিধি   

১৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ফাঁড়িতে চারজনকে পিটিয়ে হত্যা

নোয়াখালী হাতিয়ার চেয়ারম্যানঘাট এলাকায় ডাকাত সন্দেহে আটক চারজনকে বয়ারচর পুলিশ ফাঁড়িতে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন আরো দুই ডাকাত ও তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

তাঁদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত শুক্রবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা আন্তজেলা ডাকাতদলের সদস্য ছিল বলে দাবি করেছে পুলিশ।

নিহতরা হলো জয়পুরহাটের আবুবকর ছিদ্দিক (২৭), দিনাজপুরের আশিকুর রহমান (২৪), গোবিন্দগঞ্জের সাইফুল ইসলাম সুজন (২২) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সুনাম (২৫)। আহতরা হলেন সন্দেহভাজন ডাকাত আকবর ও আবদুল করিম এবং পুলিশ কনস্টেবল ফজলুল হক, জাহাঙ্গীর আলম ও কামরুল।

হাতিয়ার চেয়ারম্যানঘাট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জামশেদ জানান, শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে ঘাটের পুরনো মাছ বাজার এলাকায় একটি ফিশিং বোট নোঙর করে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা নিজেদের কোস্ট গার্ড—আবার কখনো জেলে বলে পরিচয় দেয়। এতে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। পরে পাশের বয়ারচর পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দিলে ছয়জনকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এরপর রাত ১২টার দিকে ফাঁড়িতে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সুযোগে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে তারা। এ সময় পুলিশ চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে রাত ২টার দিকে ছয়জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক।

এ ব্যাপরে বয়ারচর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মুজিবর রহমান বলেন, রাতে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সুযোগে তারা তিন পুলিশ কনস্টেবলের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করে। পরে পালানোর সময় জনতা তাদের আটক করে গণপিটুনি দেয়। তারা আন্তজেলা ডাকাতদলের সদস্য।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুজ্জামান জানান, নিহতদের লাশ উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।


মন্তব্য