চোখেই গজাবে নতুন লেন্স-334677 | শেষের পাতা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০১৬। ১৬ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৮ জিলহজ ১৪৩৭


সবিশেষ

চোখেই গজাবে নতুন লেন্স

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



কৃত্রিম লেন্স প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে নয় বরং চোখের ভেতর লেন্স পুনরুৎপাদনের মাধ্যমে মানুষের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার সাফল্য অর্জন করেছেন বিজ্ঞানীরা। পুনরুৎপাদনশীলন বিজ্ঞানে এটাকে সেরা সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেছেন তাঁরা। চীনের সান ইয়াত-সেন ইউনিভার্সিটি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, সান ডিয়েগোর বিজ্ঞানীরা এ কৃতিত্বের দাবিদার। গবেষকদের একজন ড. কাং ঝাং জানান, এই প্রথমবারের মতো পুরো লেন্স পুনরুৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। চিকিৎসাপ্রাপ্ত যেসব শিশু চীনে রয়েছে, তাদের দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিকভাবেই কাজ করছে।

চোখে ছানি পড়া রোগীদের জন্য নতুন এ চিকিৎসা পদ্ধতি অসাধারণ সাফল্যমণ্ডিত বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা। সাধারণত বয়স্কদের চোখে ছানি পড়ার কারণে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে অন্ধত্ব বরণ করার প্রবণতা বেশি। তবে কিছু কিছু শিশুর মধ্যেও এ রোগ দেখা যায়। প্রচলিত চিকিৎসায় সাধারণত ছানি পড়া লেন্স সরিয়ে কৃত্রিম লেন্স প্রতিস্থাপন করা হয়। এতে নানা রকম জটিলতা তৈরি হতে পারে, বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে। তাই প্রথমে খরগোশ ও পরে বানরের ওপর পরীক্ষা চালানোর পর শিশুদের ওপর এ চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করেন বিশেষজ্ঞরা। এর কারণ ব্যাখ্যায় ড. ঝাং জানান, নতুন পদ্ধতিতে লেন্স ক্যাপসুল অক্ষত রেখে ঝাপসা হয়ে যাওয়া লেন্স সরিয়ে ফেলা হয় এবং সেখানে রোগীর লেন্স এপিথেলিয়াল স্টেম সেল স্থাপন করা হয়, যা নতুন লেন্স তৈরি করে। শিশুদের এপিথেলিয়াল স্টেম সেল বেশি শক্তিশালী হওয়ায় এ চিকিৎসা তাদের জন্য বেশি কার্যকর। বয়স্কদের ওই সব কোষ অতটা শক্তিশালী না হলেও তাদের ক্ষেত্রে আশাপ্রদ ফল পাওয়া গেছে বলে জানান ড. ঝাং।  সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য