যশোরে জামায়াতের ‘বাংকার’ বোমা-334666 | শেষের পাতা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বুধবার । ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৩ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৫ জিলহজ ১৪৩৭


যশোরে জামায়াতের ‘বাংকার’ বোমা বিস্ফোরকসহ আটক ১২

বিশেষ প্রতিনিধি, যশোর   

১১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



যশোরে জামায়াতের ‘বাংকার’ বোমা বিস্ফোরকসহ আটক ১২

যশোরে বসুন্দিয়া গাইদগাছি গ্রামের শিবিরের বাংকার। ছবি : কালের কণ্ঠ

যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া গাইদগাছি গ্রামে মেহগনি বাগানের ভেতরে শিবিরের আঞ্চলিক অফিসের পেছনেই নির্মাণ করা হয়েছে পাকা ঘর। তা আবার সমতলে নয়, মাটির নিচে। ৩৮ ফুট লম্বা ও ১২ ফুট চওড়া বাংকার-সদৃশ এ ঘরে গতকাল বৃহস্পতিবার চলছিল ছাদ ঢালাইয়ের কাজ। আকস্মিক সেখানে হানা দিয়ে পুলিশ আটক করেছে ১২ জনকে। ঘরটি থেকে জব্দ করা হয়েছে ১০টি তাজা বোমা, বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম ও জামায়াতে ইসলামীর প্রচারপত্র।

যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান বলেন, জমির মালিক জামায়াতের লোক, তাঁর ছেলে শিবিরের ক্যাডার। মাটির নিচে নির্মাণাধীন ঘরটিতে কোনো সিঁড়ি নেই। বিষয়টি সন্দেহজনক। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জামায়াত-শিবিরের কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

জেলা জামায়াতের এক নেতার দাবি, যে ঘরটিকে পুলিশ বাংকার মনে করছে, তা নির্মাণাধীন একটি বাড়ির বেজমেন্ট। নিচে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ঘর নির্মাণ করা হচ্ছিল।’

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন জানান, গাইদগাছি গ্রামের রাশেদুল ইসলামের মেহগনি বাগানের ভেতরে আট ফুট গভীর পাকা ঘরটি দেখতে গোলাবারুদ মজুদ করার বাংকারের মতো। ঘটনাস্থল থেকে ১২ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘর থেকে ১০টি বোমা, দুই কেজি জালের কাঠি, দুই কেজি কাচের টুকরা, আধাকেজি পটাশ, ২৫০ গ্রাম সাইকেলের বল, ২০০ গ্রাম বারুদ, ১৫টি লাঠি এবং জামায়াতের গঠনতন্ত্র ও প্রচারপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র মতে, ঘটনাস্থল থেকে আটক করা সবাই মূলত নির্মাণ শ্রমিক। পুলিশের অভিযান টের পেয়ে জমির মালিকসহ জামায়াতের নেতাকর্মীরা পালিয়ে গেছে।

প্রত্যন্ত এলাকায় বাগানের ভেতরে রহস্যজনক এ ঘর নির্মাণের বিষয়টি পুলিশের পাশাপাশি জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। পুলিশ ও গোয়েন্দারা স্থানীয়দের মাধ্যমে নানা তথ্য জানার চেষ্টা করছে।

মন্তব্য