kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মন্ত্রিসভা বৈঠক

বিআরটি নির্মাণ হবে, গাজীপুর থেকে ঢাকা ২০ মিনিটে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



বিআরটি নির্মাণ হবে, গাজীপুর থেকে ঢাকা ২০ মিনিটে

কম খরচে দ্রুত ও উন্নত বাসভিত্তিক গণপরিবহন সেবা দিতে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি নির্মাণ করা হবে। বিআরটি বাস পরিচালনার জন্য আলাদা লেন থাকবে।

বিআরটি লেনে বিআরটি বাস ছাড়া অন্য কোনো ধরনের যানবাহন চলবে না। আর এ বাস চালু হলে গাজীপুর থেকে

ঢাকার বিমানবন্দর পর্যন্ত ২০ মিনিটে যাওয়া বা আসা সম্ভব হবে। এ জন্য বিশেষ ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ, পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ‘বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি), আইন, ২০১৫’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদীর মধ্যে এই বিআরটি স্থাপন ও পরিচালনা করা হবে। বিআরটি পরিচালনা করতে ২০১২ সালে গঠিত হয়েছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ। খসড়া আইনে বিআরটির ভূমি অধিগ্রহণের জন্য বিশেষ বিধানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদসচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি জানান, গাজীপুর থেকে ঢাকায় দ্রুত যাতায়াতের জন্য সড়কে দুটি আলাদা লেন থাকবে। এসব লেনে শুধু বাস র‌্যাপিড ট্রানজিটের (বিআরটি) বাস যাওয়া-আসা করবে।

মন্ত্রিপরিষদসচিব জানান, খসড়া আইনে ৫৩ ধারা ও ১০টি অধ্যায় রয়েছে। এ আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনারও এখতিয়ার রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, অপরাধের মধ্যে লাইসেন্স ব্যতীত বিআরটি নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। অনুমোদন ছাড়া লাইসেন্স হস্তান্তর করলেও একই ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া অননুমোদিতভাবে পাস বা টিকিট বিক্রির জন্য একই ধরনের শাস্তি রাখা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা এ অপরাধ করলে শাস্তি অনধিক দুই বছরের কারাদণ্ড হবে। জরিমানা হবে পাঁচ লাখ টাকা। এ আইনে দুর্ঘটনার জন্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বিআরটি ভাড়া নির্ধারণের জন্য সাত সদস্যের কমিটি থাকবে। তাঁরা যাচাই-বাছাই করে ভাড়া নির্ধারণ করবেন।

গতকালের মন্ত্রিসভা বৈঠকে সুপ্রিম কোর্ট জাজেজ (রিমিউনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) আইনের খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা সার্কুলারের মাধ্যমে উত্সব ভাতা পেতেন। এ ছাড়া আগামী বৈশাখী ভাতাও সার্কুলারের মাধ্যমে দেওয়া হতো। এখন আইনে এ দুটি বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মন্ত্রিসভায় কারিগরি সহায়তাসংক্রান্ত একটি বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরের জন্য একটি খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ খসড়া অনুযায়ী, ভারতের কাছ থেকে পরমাণু নিউক্লিয়ার এনার্জি বিষয়ে কারিগরি সহায়তা বিশেষ করে জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত সহায়তা  নিতে পারবে বাংলাদেশ।


মন্তব্য