পঁচাত্তর-পরবর্তী অগণতান্ত্রিক-332708 | শেষের পাতা | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৫ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৭ জিলহজ ১৪৩৭


এম জে আকবরের মন্তব্য

পঁচাত্তর-পরবর্তী অগণতান্ত্রিক শাসনের জন্য সম্পর্কে অবনতি

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৬ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



পঁচাত্তর-পরবর্তী  অগণতান্ত্রিক শাসনের জন্য সম্পর্কে অবনতি

ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জাতীয় মুখপাত্র এম জে আকবর বলেছেন, ১৯৭৫ সাল-পরবর্তী সময়ে অগণতান্ত্রিক শক্তি বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় আসায় ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। গতকাল শনিবার ঢাকায় সোনারগাঁও হোটেলে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সংলাপের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তাঁর মতে, স্বাধীনতাবিরোধীদের দমন করতে না পারায় বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট চরম মূল্য  দিতে হয়েছে।

বিজেপির এমপি ও মুখপাত্র এম জে আকবর গতকাল ঢাকায় বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, কূটনীতিক, সাংবাদিক, গবেষকদের সামনে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, ‘১৯৭১ সালের পরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতিতে আপনাদেরও কিছু ভুল ছিল। তেমনি আমাদেরও কিছু ভুল ছিল। একাত্তর-পরবর্তী সময়ে ভারত তার দেশবিরোধী শক্তিকে দমন করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ তা পারেনি বলে পঁচাত্তর সালে জাতির পিতাকে এর চরম মূল্য দিতে হয়েছে। এখনো দুই দেশের মধ্যে কিছু শক্তি রয়েছে, যারা গ্লাসের পানি অর্ধেক খালিই দেখে। তারা গ্লাসের অর্ধেক ভরা কখনোই দেখে না। তবে দুই দেশের সম্পর্কের বর্তমান বাস্তবতা হলো গ্লাসটি চার ভাগের তিন ভাগই পূর্ণ।’

এম জে আকবর বলেন, ‘১৯৪৭ সালে ভৌগোলিকভাবে দেশ ভাগ হয়েছিল। এখানকার মানুষের মধ্যে বিভেদ আনতে পারেনি। তবে ১৯৬৫ সালের যুদ্ধ এখানকার মানুষদের ভাগ করে দিয়েছে। আর যারা মানুষের মধ্যে বিভেদ এনেছে তারা পাপ করেছে। এত কিছুর পরও বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষ ইতিহাসের কাছে হারেনি। সব যুদ্ধই ভৌগোলিক কাঠামোতে পরিবর্তন এনেছে। কিন্তু মানুষকে বদলাতে পারেনি।’

এর আগে গত শুক্রবার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সংলাপ অনুষ্ঠানে বলেন, ভারত বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকারের পাশেই আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে দেশে গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তা প্রশংসার যোগ্য। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র মানে স্বাধীনতা। তবে এ স্বাধীনতা যা খুশি তাই করার নয়। সাংবিধানিক কাঠামোর আওতায় আমরা স্বাধীনতা পাই। স্বাধীনতার অর্থ এই নয় যে আমরা সাংবিধানিক ব্যবস্থা ধ্বংস করব, গণতন্ত্র ধ্বংস করব। এটি আমাদের বাস পোড়ানো, সরকারি সম্পত্তি পোড়ানো, সহিংসতা বাধানোর অনুমতি দেয় না। গণতন্ত্র রক্ষায় অবশ্যই শান্তি প্রয়োজন। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো সুরক্ষা প্রক্রিয়ায় আমরা পুরোপুরি আপনাদের পাশে আছি।’

মন্তব্য