kalerkantho


এবারও বাংলাদেশির নাম জড়াল অস্কারে

মুহম্মদ খান   

৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



এবারও বাংলাদেশির নাম জড়াল অস্কারে

আশরাফুল আলম জয়

অস্কারের সব আলো এবার কেড়ে নিয়েছেন ডিকাপ্রিও। অনেক সাধনার মূর্তিটি এবার উঠেছে তাঁর হাতে। খুশি বিশ্বের তাবৎ কাপ্রিওভক্ত। বাংলাদেশেও অনেক ভক্ত তাঁর। খুশি হয়েছে তারাও। তবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য এর চেয়েও খুশির খবর আছে।

এবারের অস্কারের ২৪টি ক্যাটাগরির অন্যতম ‘ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট’। স্টার ওয়ার্স, দ্য মার্শিয়ান, দ্য রিভেন্যান্ট ও ম্যাড ম্যাক্সকে হটিয়ে ‘এক্স মেশিনা’ এ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতে নিয়েছে। এক্স মেশিনাসহ ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ক্যাটাগরির জন্য মনোনীত সব চলচ্চিত্রের অনবদ্য কারুকাজের নেপথ্যে ছিল অটোডেস্কের সফটওয়্যার মায়া ও শটগান। তাই অটোডেস্ক এ বছরের অস্কারের আসরে পেয়েছে সায়েন্টিফিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড। প্রতিষ্ঠানটির মেধাবী কর্মীদের পরিশ্রমে প্রতিবছর দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছে সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা।

তাঁদেরই একটি দলের প্রধান বাংলাদেশের সফটওয়্যার প্রকৌশলী আশরাফুল আলম জয়। গতকাল সিঙ্গাপুর থেকে টেলিফোনে খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করেন তিনি।

আশরাফুল আলম জয় অটোডেস্কে যোগ দেন ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে। তিনি জানান, ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট প্রযুক্তিতে নিত্যনতুন মাত্রা যুক্ত হচ্ছে প্রতিবছর। সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মাধ্যমে উচ্চমাত্রার কম্পিউটিং ও স্টোরেজের ব্যবহার।

জয় জানান, অটোডেস্কের অস্কার সংশ্লিষ্টতা প্রায় বিশ বছরের। হলিউডের প্রায় সব সেরা চলচ্চিত্রের ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের কারিগর এই প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যার। শুধু ভিজ্যুয়াল ইফেক্টই নয়, প্রকৌশল-চিত্রণের (ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িং) ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটি পাইওনিয়ার। গত কয়েক দশকে সারা বিশ্বে যত ভবন তৈরি হয়েছে তার প্রায় সবটিতেই রয়েছে অটোডেস্কের সফটওয়্যার অটোক্যাডের ছোঁয়া।

জয় বলেন, ‘আমার অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল কোটি মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করতে পারে এমন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা। সে সুযোগ পেয়েছি এখানে কাজ করতে এসে। ’ তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশিরা কোনো অংশে পিছিয়ে নেই। আত্মবিশ্বাস ও পেশাদারি মনোভাব বজায় রাখতে পারলে পুরো পৃথিবীকে আমরা তাক লাগিয়ে দিতে পারি। ’

প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তাঁকে এ পর্যন্ত ছয়বার ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্রফেশনাল’ হিসেবে সম্মানিত করেছে মাইক্রোসফট।


মন্তব্য