kalerkantho


বরগুনার বামনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন

ভবন নির্মাণের এক বছরেও চালু হয়নি

বরগুনা প্রতিনিধি   

১৭ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



ভবন নির্মাণের এক বছরেও চালু হয়নি বরগুনার বামনা উপজেলার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনটি। ফলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও এর দ্বারা কোনো সেবাই পাচ্ছে না স্থানীয় এলাকাবাসী। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, থ্রি ফেস বৈদ্যুতিক লাইনের জন্য কোনো বরাদ্দ না থাকায় ভবনটি হস্তান্তরও করতে পারছে না সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এতে লোকসান গুনছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি।

বামনা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন পিন্টু জানান, কয়েক বছর ধরে বামনা উপজেলা শহরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে বাজার ও বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সর্বশেষ বামনার বাজারে গত মঙ্গলবার একটি অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারিয়েছেন কয়েক ব্যবসায়ী। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে মঠবাড়িয়া ও কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মীরা প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ততক্ষণে সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অথচ যথাসময়ে বামনার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনটি চালু হলে এ অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতি শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা সম্ভব হতো।

জানা গেছে, স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বামনা-পাথরঘাটা ও বেতাগী (বরগুনা-২) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত গোলাম সবুর টুলুর প্রচেষ্টায় বামনা উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনটি অনুমোদন পায়। পরে উপজেলার চাড়াখালী গ্রামে পাথরঘাটা-বামনা সড়কের পাশে ৩০ শতক জমির ওপর দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনটি। বামনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অনুকূলে বরাদ্দ হওয়া গাড়িটিও বর্তমানে বরগুনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে রাখা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস স্টেশনটি নির্মাণের দায়িত্ব পায় মেসার্স স্ট্যান্ডার্ড ইঞ্জিনিয়ার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০১৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি এটির শতভাগ কাজ সম্পন্ন করে প্রতিষ্ঠানটি।

বরগুনা জেলা গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু জাফর বলেন, ‘বামনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনটি চালুর জন্য থ্রি ফেস বৈদ্যুতিক সংযোগের জন্য পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ চেয়ে প্রকল্প পরিচালকের কাছে দুই মাস আগে আবেদন করা হয়েছে। আশা করি, শিগগিরই বরাদ্দ পাওয়া যাবে।’

 


মন্তব্য