kalerkantho


নিয়োগ দুর্নীতিতে বাধা

কাঁঠালিয়ায় প্রধান শিক্ষককেহ হয়রানি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি   

৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার চেচরীরামপুর এমএল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষককে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগে বাধা দিলে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ক্ষিপ্ত হয়ে প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসানকে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেন। ওই সভাপতি ও তাঁর লোকজন। অবৈধ নিয়োগের পেছনে ঘুষ বাণিজ্য, প্রভাব বিস্তার ও জালিয়াতির বিষয় উল্লেখ করে ঝালকাঠির জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে অভিযোগ করেছেন প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান। এতে আসামি করা হয় বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও কাঁঠালিয়ার চেচরীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, তাঁর সহযোগী উত্তর চেচরী গ্রামের সরোয়ার হোসেন ও জালিয়াতির মাধ্যমে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ননী গোপাল বড়ালকে। আদালতের বিচারক সেলিম রেজা অভিযোগটি গ্রহণ করে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রাণ গোপাল দেকে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

অভিযোগে জানা যায়, চেচরীরামপুর এমএল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের উদ্দেশ্যে ২০১৬ সালের ২২ নভেম্বর একটি লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দেখানো হয় ননী গোপাল বড়ালকে। পরে জালিয়াতির মাধ্যমে তাঁর নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্র তৈরি করা হয়। প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে ইনডেক্স নম্বরের জন্য পাঠানো হয় জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে। জাল কাগজপত্রে ইনডেক্স তৈরি করে ১৩ হাজার ২৫০ টাকা বরাদ্দ করা হয় ওই শিক্ষকের বেতন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান বলেন, ‘বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি চেচরীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। তিনি এবং তাঁর লোকজন আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করছেন। বিদ্যালয়ের রেজ্যুলেশন খাতা তিনি জোর করে নিয়ে গেছেন। বিদ্যালয়ের কোনো সভায় তিনি থাকেন না। শিক্ষকদের সঙ্গে সব সময় খারাপ আচরণ করেন। আমার স্ত্রীকেও তিনি হুমকি দিয়েছেন। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জাকির হোসেন বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি আমাদের কাছে ধরা পড়ায় এখন তিনি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছেন।’



মন্তব্য