• ই-পেপার

ট্রেনে নামাজের বিধান

প্রশ্ন-উত্তর

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা

প্রশ্ন-উত্তর

অজু অবস্থায় মৃত চামড়া তোলার বিধান

প্রশ্ন : আমরা অনেক সময় আনমনে অজু অবস্থায় শরীরের বিভিন্ন শুকনা চামড়া তুলে ফেলি। অজু করার সময় শরীরের যেসব অঙ্গ ধুতে হয়, নামাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেসব অঙ্গের কোনো অংশের গোটা বা এমনিতেই চামড়া উঠালে অজু ভেঙে যাবে কি? কারণ চামড়ার ওপরের অংশ ধোয়া হয়েছিল, কিন্তু নিচের অংশ অর্থাৎ চামড়া উঠানোর পর যে অংশ বের হয়েছে তা ধোয়া হয়নি।

কাউসার, বগুড়া

উত্তর : এরূপ করার দ্বারা অজুর কোনো ক্ষতি হবে না। (বাদায়েউস সানায়ে : ১/৩৩, আল খানিয়া : ১/২২, হিন্দিয়া : ১৮/৫, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ৩/৬২)

 

সুদের টাকা নিকটাত্মীয়কে দিলে দায়মুক্ত হবে?

প্রশ্ন : গত কিছুদিন আগে আমার একটি অ্যাকাউন্ট থেকে সুদের বেশ কিছু টাকা এসেছে। এখন আমি ওই টাকাগুলো কোথায়, কী কাজে, কী নিয়মে ব্যয় করে দায়মুক্ত হতে পারি? আমরা কোনো গরিব আত্মীয়কে দিতে পারব কি না? দয়া করে জানাবেন।

শরীফুল ইসলাম, কুমিল্লা

উত্তর : সুদের টাকা তার প্রকৃত মালিক বা তার অবর্তমানে তার ওয়ারিশদের কাছে পৌঁছানো আবশ্যক। যদি মালিক বা ওয়ারিশ জানা সম্ভব না হয়, তবে মালিকের পক্ষ থেকে দায়মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে সওয়াবের নিয়তবিহীন গরিব আত্মীয়দের দেওয়া যাবে। (হিন্দিয়া : ৫/৩৪৯, এমদাদুল আহকাম : ৩/৬৫৫, আপকে মাসায়েল আওর উনকা হল : ২৪০, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১০/১২৯)

কোরআন থেকে শিক্ষা

পর্ব, ১১৮৬

কোরআন থেকে শিক্ষা

আয়াতের অর্থ

যেসব মরুবাসী পেছনে রয়ে গিয়েছিল তাদের বোলো, তোমরা আহৃত হবে এক প্রবল-পরাক্রান্ত জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে। তোমরা তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করবে যতক্ষণ না তারা আত্মসমর্পণ করে।...আল্লাহ তাকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার নিম্নদেশে নদী প্রবাহিত; কিন্তু যে ব্যক্তি পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে তিনি তাকে মর্মন্তুদ শাস্তি দেবেন।

(সুরা : ফাতহ, আয়াত : ১৬-১৭)

আয়াতদ্বয়ে যুদ্ধের বিধান বর্ণনা করা হয়েছে।

শিক্ষা ও বিধান

১. ইমাম তাবারি (রহ.) বলেন, শক্তিশালী জাতি দ্বারা সুনির্দিষ্ট কোনো সম্প্রদায় উদ্দেশ্য নয়, বরং এর দ্বারা প্রত্যেক এমন জাতি উদ্দেশ্য যাদের সঙ্গে পরবর্তী সময়ে মুসলমানদের যুদ্ধ হয়েছিল। যেমনগাতফান, সাকিফ, বনু হানিফা গোত্র এবং রোম ও পারসিক জাতি।

২. ১৬ নং আয়াত দ্বারা কেউ কেউ আবু বকর (রা.) ও ওমর (রা.)-এর খেলাফতের সপক্ষে দলিল পেশ করেন। কেননা তারা বনু হানিফ ও রোম-পারস্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

৩. চুক্তিবদ্ধ নয় এমন শত্রুরাষ্ট্র আত্মসমর্পণ করার আগ পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৪. ইসলামী রাষ্ট্রের প্রধান যুদ্ধের আহ্বান জানালে সবার ওপর যুদ্ধ ফরজ হয়ে যায়।

৫. তবে নারী, শিশু, পাগল এবং অসুস্থতা ও সামর্থ্য না থাকার কারণে অক্ষম ব্যক্তির ওপর যুদ্ধ ফরজ নয়। (তাফসিরে মুনির : ১৩/৫০০)

 

গলাকাটা দিঘি মসজিদে পাঁচ শ বছরের প্রাচীন কোরআন

মো. আবদুল মজিদ মোল্লা
গলাকাটা দিঘি মসজিদে পাঁচ শ বছরের প্রাচীন কোরআন

ঝিনাইদহ জেলার অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন গলাকাটা দিঘি ঢিবি মসজিদ। এটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন অধ্যুষিত বারোবাজারের নিকটবর্তী তাহেরপুরে অবস্থিত। ঝিনাইদহ জেলা সদর থেকে এই মসজিদের দূরত্ব ৩০ কিলোমিটার। পার্শ্ববর্তী গলাকাটা দিঘি অনুসারে মসজিদের নামকরণ করা হয়েছে। জনশ্রুতি রয়েছে, খানজাহান আলী (রহ.)-এর সময়কালে তিনি নিজে অথবা তাঁর কোনো অনুচর দিঘি খনন করেন এবং মসজিদ নির্মাণ করেন। মসজিদের খননকাজের সময় সুলতান মাহমুদ বিন হুসাইন শাহের আমলের (৮০০ হি.) কিছু নিদর্শন পাওয়া যায়। তাই অনেকের ধারণা, মসজিদটি তাঁর সময়েও নির্মিত হতে পারে।

বারোবাজার বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের অন্যতম কেন্দ্রভূমি। বিশেষত মুসলিম শাসনামলের অনেক নিদর্শন এখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। গত শতকের আশির দশকে প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর এই এলাকায় খনন করার আগে সেগুলো ঘনজঙ্গল ও মাটির ঢিবির নিচে সেগুলো চাপা পড়ে ছিল। খননকাজের পর বারোবাজার এলাকায় ১৯টি প্রাচীন মসজিদ আবিষ্কৃত হয়। এসব মসজিদের একটি গলাকাটা দিঘি মসজিদ।

১৯৯২-৯৩ সালে প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের খননের ফলে গলাকাটা মসজিদ বের হয়ে আসে। খননের আগে জায়গাটিতে উঁচু ঢিবি ছিল। ঢিবির ওপর জঙ্গল ও বড় বড় গাছপালায় ভরা। খনন করার সময় সুলতান মাহমুদ বিন হুসাইন শাহের আমলের আরবি ও ফার্সিতে লেখা কয়েকটি পাথর পাওয়া যায়। এ ছাড়া খননের সময় হাতে লেখা কোরআনের প্রাচীন অনুলিপি ও তরবারি পাওয়া যায়, যা মসজিদেই সংরক্ষিত আছে। গবেষকদের দাবি, কোরআন শরিফ ও তরবারি খ্রিস্টীয় পঞ্চদশ শতকের।

গলাকাটা দিঘি মসজিদের গম্বুজ ছয়টি। যা মোট চারটি ছয় কোনাকৃতি মোটা বড় পিলারের ওপর। মসজিদের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ২৫ ফুট এবং দেয়াল পাঁচ ফুটের মতো চওড়া। মসজিদের প্রবেশদ্বার মোট তিনটি। এ ছাড়া উত্তর ও দক্ষিণ পাশে দুটি করে প্রবেশপথ ছিল, যা ইটের জাল করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি দরজার ওপরে আছে সুচালো খিলান।

মূল মসজিদের পূর্ব দিকে পাকা করা প্রাঙ্গণ ছিল। পশ্চিম দেয়ালে আছে তিনটি মেহরাব। মেহরাবগুলোতে আছে পোড়ামাটির নানা কারুকাজ, লতাপাতা, চেইন, ফুল, ঘণ্টা ইত্যাদির নকশা। মসজিদে কালো পাথরের তৈরি দুটি স্তম্ভ আছে। যার উচ্চতা প্রায় আট ফুট। এই দুটি ছাদের পিলার হিসেবে কাজ করে। এই মসজিদের গঠন ও নির্মাণশৈলীর সঙ্গে শৈলকুপার শাহি মসজিদ ও বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদের মিল আছে।

মসজিদের পাশেই গলাকাটা দিঘি। চতুর্দিকের পারসহ দিঘিটি বারো বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। দিঘির শান্ত জল সুলতানি আমলের জৌলুস মনে করিয়ে দেয়। তবে এই দিঘির নাম কেন গলাকাটা হলো সে সম্পর্কে খুব একটা জানা যায় না। জনশ্রুতি আছে, বারোবাজারে একজন অত্যাচারী রাজা ছিলেন। তিনি প্রজাদের বলি দিয়ে এই দিঘিতে ফেলে দিতেন। এ জন্যই এর নাম গলাকাটা দিঘি হয়েছে। দিঘির পশ্চিমপারে রয়েছে একটি ছোট অনুচ্চ ঢিবি। এই ঢিবি সম্পর্কে স্থানীয়দের মধ্যে মতভেদ আছে। কেউ কেউ এটিকে মন্দির বলে দাবি করে। কিন্তু ব্রিটিশ সরকারের পরগনা শাহা উজালা ভূমি রেকর্ডে এটি মসজিদেরই অন্তর্ভুক্ত ছিল।

মসজিদের ভেতরের দেয়ালে রয়েছে বিভিন্ন প্রকার জ্যামিতিক ও ফুলের নকশা। তিনটি মেহরাবের প্রান্তভাগ আয়তক্ষেত্রাকৃতির ফ্রেম দ্বারা বাঁধানো। উত্তর ও দক্ষিণ পাশের মেহরাবের ক্ষেত্রাকৃতির ফ্রেমের মধ্যে পোড়ামাটির জ্যামিতিক নকশা রয়েছে। এলাকাবাসী জানায়, সংস্কার ও সংরক্ষণের আগে মসজিদের দেয়ালগুলো একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় অবস্থিত ছিল এবং এর কোনো গম্বুজ ছিল না। সম্প্রতি কয়েকটি গম্বুজসহ মসজিদটি পুনর্নির্মিত হয়েছে।

 

 

ফ্রান্সে মুসলমানদের অতীত আত্মত্যাগ ও ভবিষ্যৎ স্বপ্ন

আলেমা হাবিবা আক্তার
ফ্রান্সে মুসলমানদের অতীত আত্মত্যাগ ও ভবিষ্যৎ স্বপ্ন

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত প্যারিস গ্র্যান্ড মসজিদ এক শ বছর পূর্ণ করেছে। ১৫ জুলাই ১৯২৬ তৎকালীন ফরাসি প্রেসিডেন্ট গাস্তোঁ দুমের্গ এবং মরক্কোর তৎকালীন সুলতান মাওলায়ে ইউসুফ যৌথভাবে এর উদ্বোধন করেছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সের হয়ে যুদ্ধ করতে গিয়ে নিহত মুসলিম সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। সে সময় এক লাখের বেশি মুসলিম সেনা নিহত হয়েছিল।

স্পেনীয়-মুরিশ স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত মসজিদটির অন্যতম আকর্ষণ ৩৩ মিটার উঁচু মিনার। এতে আছে আরব-আন্দালুসীয় প্রাসাদের আদলে নির্মিত মনোরম প্রাঙ্গণ ও অভ্যন্তরীণ বাগান। এর বারান্দা ও প্রবেশপথগুলো ১৯২২ সালে মরক্কোর দক্ষ কারুশিল্পীদের হাতে খোদাই করা নান্দনিক টাইলস দ্বারা অলংকৃত। মসজিদ প্রাঙ্গণে একটি জনপ্রিয় চা-কক্ষ এবং ঐতিহ্যবাহী হাম্মামও রয়েছে। ফ্রান্সে ইসলামী স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত এই মসজিদকে ১৯৮৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।

তবে ঐতিহাসিক এই মসজিদের সঙ্গে আরো কিছু ইতিহাস জড়িয়ে আছে। যেমনঔপনিবেশিক যুগে ফ্রান্সে বসবাসরত মুসলিমদের ওপর প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি মাধ্যম হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান দখলদার বাহিনীর নিপীড়নের শিকার ইহুদিদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রেও এই মসজিদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

প্যারিস গ্র্যান্ড মসজিদ বর্তমানে রাজধানী প্যারিসের ব্যস্ত লাতিন কোয়ার্টার এলাকায় অবস্থিত। শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে মসজিদে একাধিক বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়েছে। এসব আয়োজনে অংশগ্রহণকারী মুসল্লিরা সমসাময়িক ফ্রান্সে মুসলিম হিসেবে জীবনযাপনের অভিজ্ঞতা নিয়েও নিজেদের ভাবনা তুলে ধরছেন।

প্যারিসের গ্র্যান্ড মসজিদের রেক্টর (প্রধান) শেমস-এদ্দিন হাফিজের মতে, এই মসজিদ আন্ত ধর্মীয় সংলাপ এবং ফ্রান্সের বহুত্ববাদী পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। তবে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত এবং আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘিরে ক্রমবর্ধমান বিভাজনমূলক রাজনৈতিক প্রচারণার কারণে দেশে ধর্মীয় উত্তেজনা বাড়তে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

শুক্রবার শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ নামাজে অংশ নিতে প্যারিস ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ মসজিদে আসেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া মুসলিম যেমন ছিলেন, তেমনি কয়েক দশক আগে আলজেরিয়া, সেনেগালসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসে বসতি গড়া মানুষও। উপস্থিত অনেকের পারিবারিক শিকড় ফ্রান্সের সাবেক ঔপনিবেশিক ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত।

হাফিজ বলেন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সকে রক্ষা করতে গিয়ে ভার্দ্যাঁসহ বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ দেওয়া মুসলিম সৈন্যদের আত্মত্যাগ স্মরণ করতেই ফরাসি কর্তৃপক্ষ এই মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিল। এসব সৈন্যের বেশির ভাগই আফ্রিকার ফরাসি উপনিবেশগুলো থেকে এসেছিলেন। মসজিদটি উদ্বোধনের সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট গাস্তোঁ বলেছিলেন, ফ্রান্সের বৈচিত্র্যই তার জাতীয় ঐক্যকে আরো শক্তিশালী করতে পারে।

তিনি আরো বলেন, আমার বিশ্বাস ১৯২৬ সাল থেকে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও রাজনৈতিক বার্তাটি বদলায়নি। সমস্যাটা মানুষের মনোভাবের মধ্যে। আজও মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক ঘটনা ঘটছে। ইসলামকে প্রায়ই ভুলভাবে বোঝা হয়, আর মুসলিম বা ইসলাম নিয়ে কথা বললেই অনেক সময় শত্রুতা ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

বর্তমানে ইসলাম ফ্রান্সের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম। পশ্চিম ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যা এই দেশেই বসবাস করে। কিন্তু তা সত্ত্বেও দেশটির মুসলিমরা এখনো সমাজে পূর্ণ গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের জন্য সংগ্রাম করছেন এবং বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যের মুখোমুখি হচ্ছেন। অন্যদিকে আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে ফ্রান্সে রাজনৈতিক প্রচারণা জোরদার হচ্ছে।

 

সূত্র : এবিসি নিউজ

ও ফ্রেন্স টুয়েন্টিফোরডটকম

ট্রেনে নামাজের বিধান | কালের কণ্ঠ