kalerkantho


বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম কমেছে অক্টোবরে

২০১৮ সালে বিশ্বে খাদ্যশস্য উৎপাদন কমবে ২.৪ শতাংশ

বাণিজ্য ডেস্ক   

২০ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম কমেছে অক্টোবরে

বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম আগের মাসের চেয়ে কমেছে ০.৯%

বেশির ভাগ খাদ্যপণ্যের দাম হ্রাস পাওয়ায় গত অক্টোবরে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ছিল নিম্নমুখী। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) তাদের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানায়, অক্টোবরে খাদ্যপণ্যের দাম আগের মাসের চেয়ে কমেছে ০.৯ শতাংশ। এ দাম এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় ৭.৪ শতাংশ কম। বিশেষ করে মাংস, দুগ্ধপণ্য ও ভোজ্য তেলের দাম কমেছে। সেপ্টেম্বরেও বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম কমেছিল।

এফএও জানায়, গত সেপ্টেম্বরে খাদ্যমূল্যের সূচক ছিল ১৬৪.৯ পয়েন্ট। অক্টোবরে তা কমে হয়েছে ১৬৩.৫ পয়েন্ট। গত মাসে ভোজ্য তেলের দাম কমেছে। এ দাম ২০০৯ সালের এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন। এর মধ্য দিয়ে টানা ৯ মাস নিম্নমুখী ভোজ্য তেলের বাজার। ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার পাম তেলের মজুদ বাড়লেও আমদানিকারক দেশগুলোর চাহিদা সেভাবে নেই।

অক্টোবরে দুগ্ধপণ্যের দাম কমেছে ৪.৮ শতাংশ। টানা পঞ্চম মাস নিম্নমুখী এ বাজার। নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াসহ রপ্তানিকারক দেশগুলোর দুগ্ধ রপ্তানি বেড়েছে। গত মাসে মাংসের দামও কমেছে ২.০ শতাংশ। তবে চিনির দাম বেড়েছে ৮.৭ শতাংশ। টানা দুই মাস বাড়ল চিনির দাম।

এফএও জানায়, বিশ্ববাজারে বাড়ছে গমের দাম। বৃষ্টিপাত কমায় অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাসহ কয়েকটি দেশ থেকে সরবরাহ হ্রাস পাবে গমের। ২০১৮ সালে বিশ্বে গম উৎপাদন হবে ৭২৮ মিলিয়ন টন, যা গত বছরের চেয়ে ৪.৩ শতাংশ কম। এর বিপরীতে দাম কমছে এশিয়ার প্রধান খাদ্যপণ্য চালের। এশিয়ার দেশগুলোতে আবাদ বাড়ায় এ বছর বিশ্বে চাল উৎপাদন বাড়বে ১.৩ শতাংশ।

যেখানে ২০১৭ সালে যেকোনো সময়ের চেয়ে সর্বোচ্চ চাল উৎপাদন হয়েছিল। এ বছর তাও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। রপ্তানিকারক দেশগুলোর প্রতিযোগিতার পাশাপাশি মুদ্রার অবমূল্যায়নে চালের দাম কমছে।

এফএওর মতে এ বছর চাল ও গমের বাণিজ্য কমবে, তবে ভুট্টার বাণিজ্য বাড়বে। ২০১৮ সালে বিশ্বে খাদ্যশস্য উৎপাদন হবে দুই হাজার ৫৯১ মিলিয়ন টন, যা ২০১৭ সালের রেকর্ড উৎপাদনের চেয়ে ২.৪ শতাংশ কম।



মন্তব্য