kalerkantho


এফবিসিসিআই স্ট্যান্ডিং কমিটির সভা

ভূমি নিবন্ধন ফি ও কর কমানোর দাবি

বাণিজ্য ডেস্ক   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



ভূমি নিবন্ধন ফি ও কর কমানোর দাবি

এফবিসিসিআইয়ের ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্ট্যান্ডিং কমিটির সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা

ভূমি নিবন্ধন ফিসহ এ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর কমানোর দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার এফবিসিসিআই সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এফবিসিসিআই স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রথম সভায় এ দাবি জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান মো. এমারত হোসেন সোহাগ। সভায় বক্তব্য দেন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হাফেজ হারুন। এ ছাড়া ল্যান্ড কমিটির কো-চেয়ারম্যান মো. নওশের আলী, কো-চেয়ারম্যান এম এ আজিজ, ঢাকা চেম্বারের মো. রফিকুল ইসলাম, টোয়াবের পরিচালক ও ঢাকা রিসোর্টের এমডি ইঞ্জিনিয়ার মো. সজীবুল আল রাজীব, পাদুকা সমিতির প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম হোসেন, রিহ্যাবের শাহাবুদ্দিন হাফিজ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী নেতারা ভূমি রেজিস্ট্রেশন ফি কমানো, খাল পুনরুদ্ধার, তহসিল অফিসে রেকর্ড সংরক্ষণ, আবাসন শিল্পের প্রসার, ভূমি মন্ত্রণালয় আধুনিকায়ন, রেকর্ডগুলো ডিজিটালে সংরক্ষণ ও ড্যাপ নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এফবিসিসিআই স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি মো. এমারত হোসেন বলেন, এফবিসিসিআই সব সময়েই ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করে আসছে। তিনি বলেন, যেহেতু বর্তমান সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার, সেহেতু ব্যবসায়ীদের সব ন্যায্য দাবি মানতে বাধ্য। ব্যবসায়ীদের ভূমিসংক্রান্ত সব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব এফবিসিসিআইয়ের মাধ্যমে লিখিতভাবে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে তুলে ধরা হবে। তিনি বলেন, সরকার এরই মধ্যে ১৯১টি মৌজায় ঢাকা মহানগরে সিটি জরিপ সম্পন্ন করেছে এবং ডিজিটালের আওতায় চলে আসছে। এই ডিজিটাল রেকর্ডের মাধ্যমেই জমি ক্রয়-বিক্রয়, ব্যাংক আর্থিক সুবিধা, ঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান তিন।

ঢাকা মহানগরের সব খাল পুনরুদ্ধার করে তা সংস্কারের দাবি জানান তিনি। ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নসহ বর্তমানে জমি রেজিস্ট্রেশনে গেইন টেক্স ৪ শতাংশের স্থলে ২ শতাংশ, স্ট্যাম্প ফি ৩ শতাংশের পরিবর্তে ১ শতাংশ, রেজিস্ট্রেশন ফি ২ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ, লোকাল ট্যাক্স ২ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ, এবং ভ্যাট ৩ শতাংশ থেকে ১.৫০ শতাংশ করার দাবি জানানো হয় সভায়। বক্তারা বলেন, বর্তমানে জমি বা ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে অনেকে অ্যাপার্টমেন্ট রেজিস্ট্রেশন না করেই বসবাস করছেন। রেজিস্ট্রেশন ফি কমানো হলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে, সাধারণ মানুষও উপকৃত হবে।



মন্তব্য