kalerkantho


‘খাদ্যে ভেজাল রোধে পদক্ষেপ চাই’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



‘খাদ্যে ভেজাল রোধে পদক্ষেপ চাই’

সচ্ছল মানুষ যারা ভালো খাবার খাওয়ার সামর্থ্য রাখে, তারা খাবারকে এখন ভয় পায়। কারণ খাবারে ভেজাল নিয়ে নানা ধরনের গুজব ছড়িয়ে পড়েছে, যা সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করে তুলেছে বলে মনে করছে সুধীসমাজের প্রতিনিধিরা। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সরকারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ফুড সেফটি অথরিটি (বিএফএসএ) ও সুধীসমাজের সমন্বিতভাবে কাজ করা দরকার।

গতকাল রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের একটি সভাকক্ষে বিএফএসএ ও সুধীসমাজের প্রতিনিধিদের খাদ্যে ভেজাল ও এর প্রতিকার নিয়ে করণীয় বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সুধীসমাজের পক্ষে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, চ্যানেল আইয়ের পরিচালক (বার্তা) শাইখ সিরাজ, বিএফএসএর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, সদস্য মো. মাহবুব কবীর, মঞ্জুর মোর্শেদ আহমেদ, অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল রউফ মামুন, এফএওর সিনিয়র অ্যাডভাইজার শাহ মনির হোসেন, পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক নাজমা শাহীন, বিএআরসির পরিচালক (পুষ্টি) মো. মনিরুল ইসলামসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, ‘সচ্ছল মানুষ যারা ভালো খাবার কেনার সামর্থ্য রাখে তারা এসব খাবারকে ভয় পেতে শুরু করেছে। অনেক বছর ধরেই আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ভেজাল খাবার নিয়ে নানা রকম গুজব আমাদের আতঙ্কিত করে রাখছে।’

তিনি বলেন, ‘অনেক সময় পরে হলেও খাদ্যের নিরাপত্তার জন্য একটা কর্তৃপক্ষ পেয়েছি। যাদের ওপর এটা করার দায়িত্ব রয়েছে। আর আমরা সুধীসমাজের যারা কাজ করছি তারা নিজেদের মন থেকেই তাগিদ নিয়ে করছি। সবাই মিলে সমন্বিতভাবে নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তার কাজ করলে হয়তো এটি আরো দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।’

সভায় খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল ও দূষণের উৎস এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবেলায় করণীয় শীর্ষক একটি প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন ড. মো. ইকবাল রউফ মামুন। তিনি প্রস্তুতকৃত খাদ্য কিভাবে দূষিত হয় তার বর্ণনা তুলে ধরেন।

মতবিনিময় সভার এক পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কাজের সমালোচনা করেন শাইখ সিরাজ। তিনি বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বিভিন্ন পণ্যের রাসায়নিকের ক্ষতিকর মাত্রা পাওয়া যায় না। শাক-সবজির ক্ষেত্রেও তাই। তাহলে ইউরোপসহ অন্যান্য দেশে বাংলাদেশের বিভিন্ন শাক-সবজি দিনের পর দিন কেন নিষিদ্ধ করে রাখা হচ্ছে।’



মন্তব্য