kalerkantho


চিনির দাম কমলেও উৎপাদন বাড়াচ্ছে ভারতের কৃষকরা

বাণিজ্য ডেস্ক   

১৫ জুন, ২০১৮ ০০:০০



আগামী মৌসুমে ভারতে রেকর্ড পরিমাণ চিনি উৎপাদন হবে বলে জানিয়েছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। তাঁরা জানান, বাজারে চিনির দাম কমলেও কৃষকরা বিপুল পরিমাণ অঞ্চলে আখের আবাদ করছেন। যদিও চিনিকলগুলো থেকে এখনো কৃষকদের ২০০ বিলিয়ন রুপি পাওনা বকেয়া রয়েছে। মুম্বাইয়ের সাংলি জেলার আখ চাষি মহন সাওন্ত বলেন, এ বছর আমি দুই একর জমিতে আখ চাষ করেছি। আগামী অক্টোবরে শুরু হতে যাওয়া বাজার মৌসুমে বিপুল আখ সরবরাহ করতে চাই। কারণ এখনো বিকল্প শস্য গমের চেয়ে আখে লাভ বেশি। তিনি বলেন, মিলগুলো থেকে পাওনা পেতে দেরি হলেও সেটা কম লাভের গমের চেয়ে ভালো।

শিল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষকরা আখ চাষে আগ্রহী হওয়ায় আগামী বাজার মৌসুমে রেকর্ড চিনি উৎপাদন হবে। তবে কী পরিমাণ চিনি উৎপাদন হবে তা বলতে না পারলেও তাঁরা জানান, এবারের মৌসুমের ৩২ মিলিয়ন টনকে ছাড়িয়ে যাবে। ন্যাশনাল ফেডারেশন অব কো-অপারেটিভ সুগার ফ্যাক্টরিজের (এনএফসিএসএফ) এমডি প্রকাশ নায়েকনাভারে বলেন, সুনির্দিষ্ট হিসাব দেওয়া কঠিন তবে বলা যায়, এবারের উৎপাদনকে ছাড়িয়ে যাবে আগামীবারের চিনি উৎপাদন। এর ফলে চিনির দাম আরো কমে যেতে পারে। চলতি বছর এমনিতেই বিশ্ববাজারে চিনির দাম ১৭ শতাংশ পড়েছে। ফলে বাজারে ভারসাম্য রাখতে হলে চিনি রপ্তানি বাড়াতে হবে সরকারকে।

সরকারি হিসাবে দেখা যায়, এখনো পর্যন্ত কৃষকরা ৪.৮৭ মিলিয়ন হেক্টর জমিতে আখ চাষ করছেন, যা ২০১৭ সালের ৪.৭৯ মিলিয়ন হেক্টর জমিতে আবাদের চেয়ে বেশি। গত বছর ভারতে বিপুল চিনি উৎপাদন হওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম এক-চতুর্থাংশ পড়ে যায়। এ অবস্থায় সরকার বাজারে দাম ধরে রাখতে রপ্তানি উৎসাহিত করে। রপ্তানিতে শুল্ক তুলে নেওয়ার পাশাপাশি চিনিকলগুলোকে ২০ লাখ টন চিনি রপ্তানির বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়। যদিও তা পূরণে মিলগুলো ব্যর্থ হয়েছে। রয়টার্স।

 



মন্তব্য