kalerkantho

চীনের সঙ্গে চুক্তি সই

তবু পতন থামছে না!

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ মে, ২০১৮ ০০:০০



পুঁজিবাজারের পতন যেন স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। শেয়ার বিক্রির চাপে এই পতন দীর্ঘায়িত হচ্ছে। একটানা ১০ কার্যদিবস দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের পতন ঘটছে। শেয়ার বিক্রির চাপে সূচকে পতনের সঙ্গে কম্পানির শেয়ার দামও কমছে। যদিও একটানা পতন বাজারের স্বাভাবিক চিত্র নয়। অস্বাভাবিক পতনেও নিয়ন্ত্রক সংস্থারও কোনো ভূমিকা দেখা মিলছে না।

তবে সংশ্লিষ্টরা, সবাই যেন নিশ্চুপ! বাজারকে সাপোর্ট দিতে আইসিবিও হাত গুটিয়ে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করলেও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনা থেকে বিরতই রয়েছে। অজানা কারণেই তারা শেয়ার কিনছে না। কৌশলগত অংশীদার হিসেবে চীনা দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হলেও বাজার ভালো হওয়ার সম্ভাবনার প্রত্যাশা করছিলেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। গত সোমবার এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে কিন্তু বাজারে প্রাণ ফেরেনি।

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস গতকাল মঙ্গলবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক কমেছে। তবে লেনদেনে সামান্যই উত্থান হয়েছে। এই নিয়ে টানা ১০ কার্যদিবস পুঁজিবাজারের সূচকের পতন ঘটল। মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৫৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ৮ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৩৩০ কোটি ৮১ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছিল ১ পয়েন্ট।

দিন শেষে সূচক দাঁড়ায় পাঁচ হাজার ৫৪৮ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৩ পয়েন্ট কমে দুই হাজার ৭২ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক  ০.২৩ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৩০০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ৩৩৪ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৩টির, কমেছে ১৫২টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৯ কম্পানির শেয়ার দাম।

সিএসই লেনদেন হয়েছে ২৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ৮ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১৭ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছিল ৩২ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ২৩২ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮১টির, দাম কমেছে ১১৮টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩ কস্পানির শেয়ার দাম।

 



মন্তব্য