kalerkantho


২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

এসএমই ও ভোক্তা ঋণে নজর প্রাইম ব্যাংকের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



এসএমই ও ভোক্তা ঋণে নজর প্রাইম ব্যাংকের

সংবাদ সম্মেলনে প্রাইম ব্যাংকের এমডি ও সিইও রাহেল আহমেদ

করপোরেট ঋণের পরিবর্তে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত (এসএমই) এবং ভোক্তা ঋণ বাড়ানোর প্রতি মনোযোগ প্রাইম ব্যাংকের। প্রতিষ্ঠার ২৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল সোমবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাহেল আহমেদ। রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিবুর রহমান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গোলাম রব্বানী, মো. তৌহিদুল আলম খান, সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে জানানো হয়, ১৯৯৫ সালের ১৭ এপ্রিলে ‘একটি ব্যতিক্রমধর্মী ব্যাংক’ স্লোগানে যাত্রা শুরু করে প্রাইম ব্যাংক। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। বিনিয়োগের পরিমাণ ১৯ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা এবং মোট সম্পদের পরিমাণ ২৫ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা। দেশজুড়ে ব্যাংকটির ১৪৬টি শাখা এবং ১৭০টি এটিএম বুথ রয়েছে। এ ছাড়া সিঙ্গাপুর ও ইউকেতে তিনটি করে এক্সচেঞ্জ হাউস এবং হংকংয়ে একটি ট্রেড ফিন্যান্স কম্পানি রয়েছে।

রাহেল আহমেদ বলেন, ‘ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট নেই। তবে এখানে তারল্য ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় নেই। এ ছাড়া ব্যাংক খাত বিপর্যয়ের মধ্যে আছে বলে আমি মনে করি না। এই খাতটি প্রতিনিয়ত বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এখানে চ্যালেঞ্জ আছে। চড়াই-উতরাই থাকবেই, একটু ধৈর্য ধরতে হবে, রাতারাতি পরিবর্তন আসবে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক চেষ্টা করছে, ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে পরিস্থিতি ভালো হতে শুরু করবে।’

এসএমই ও ভোক্তা ঋণ বাড়ানোর লক্ষ্য সম্পর্কে রাহেল আহমেদ বলেন, ২০১৭ সালে ব্যাংকটির বিতরণ করা মোট ঋণের ২২-২৪ শতাংশ ছিল এসএমই ও ভোক্তা ঋণ, যা ২০২১ সাল নাগাদ ৪০ শতাংশ বা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের প্রান্তিক অঞ্চলে এসএমই ও ভোক্তা ঋণের সুফল পৌঁছে দিতে ৮০টির বেশি শাখায় বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তারা নিযুক্ত আছেন।

এডিআর নিয়ে রাহেল আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক যেদিন ঋণ-আমানত অনুপাত (এডিআর) সীমা বেসরকারি ব্যাংকগুলোর জন্য ৮৩.৫ শতাংশ বেঁধে দেয় সেদিনও আমাদের এডিআর এ সীমার নিচে ছিল, আজও আছে। আমরা এ সময়েও নতুন গ্রাহকদের এক-দেড় শ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছি।’

সম্মেলনে আরো জানানো হয়, ২০১৭ সাল শেষে প্রাইম ব্যাংকের সমন্বিত নিট মুনাফা হয়েছে ১২২ কোটি টাকা। এককভাবে হয়েছে ১০৬ কোটি টাকা। আলোচ্য বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত পরিচালন মুনাফা ছিল সমন্বিত ৫৫৯ কোটি টাকা, যা এককভাবে ছিল ৫৩৭ কোটি টাকা।



মন্তব্য