kalerkantho


তিন দিনের উইল ফেস্ট শুরু

বাণিজ্য ডেস্ক   

৯ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



তিন দিনের উইল ফেস্ট শুরু

গতকাল উইল ফেস্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, এসিআই কনজ্যুমার ব্র্যান্ডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আলমগীর এবং একাত্তর টিভির প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু। ছবি : কালের কণ্ঠ

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ফ্রিডম স্যানিটারি ন্যাপকিনের পরিবেশনায় শুরু হয়েছে তিন দিনের উইল ফেস্ট। ওমেন ইন লিডারশিপের (উইল) আয়োজনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালায় হচ্ছে এই উৎসব, যাতে থাকছে নারীবিষয়ক নানা আয়োজন। থাকছে ওমেন লিডারশিপ সামিট, ইন্সপায়ারিং ওমেন অ্যাওয়ার্ড, ফ্রিডম অব চয়েস এক্সিবিশন, নারীর ক্ষমতায়ন সম্পর্কিত নানা আলোচনা এবং তরুণ নারী উদ্যোক্তাদের জন্য স্টার্টাপ টক বা আলোচনা।

প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ ফেস্টিভালের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে কর্তৃত্ব এবং দৃশ্যমানতা। গতকাল এক অনুষ্ঠানে উইল ফেস্টের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী এবং ওমেন ইন লিডারশিপের প্রেসিডেন্ট নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন এসিআই কনজ্যুমার ব্র্যান্ডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আলমগীর এবং একাত্তর টিভির প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু, বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের রিটেইল ব্যাংকিংয়ের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ জুলকার নাইন।

সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য উন্মুক্ত এই উৎসবের বিভিন্ন আয়োজন গুলো জাতীয় চিত্রশালার প্লাজা, গ্যালারি নম্বর ২, ৩ এবং অডিটরিয়ামে একসঙ্গে চলছে। উৎসবে প্রবেশের জন্য রাখা হচ্ছে না কোনো প্রবেশ মূল্য।

উৎসবের একটি অংশ হচ্ছে ওমেন লিডারশিপ সামিট, যা তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে থাকছে তিনটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন ও তিনটি প্যানেল আলোচনা। সামিটে দেশি-বিদেশি বক্তারা নারীর ক্ষমতায়ন ও এ সম্পর্কিত প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের উপায় নিয়ে আলোচনা করবেন।

এ ছাড়া তিন দিনব্যাপী প্রায় ২০টি আলোচনার আয়োজন করা হবে যেখানে কথা বলা হবে নারীদের বিভিন্ন ব্যক্তিগত, সামাজিক, পারিবারিক ও কর্মক্ষেত্র সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে। এসব আলোচনার উদ্দেশ্য থাকবে নারীদের তাদের কর্তৃত্ব ও উন্নতির ওপর আরো জোরালোভাবে বিশ্বস্ত করা, যাতে তারা সমাজে আরো দৃশ্যমান হতে পারে।



মন্তব্য