kalerkantho


বিড়িকে কুটির শিল্প ঘোষণার দাবি

বাণিজ্য ডেস্ক   

৬ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



বিড়িশিল্পকে কুটির শিল্প হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছে গবেষণা ও উন্নয়ন কালেকটিভের (আরডিসি) সভাপতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেজবাহ কামাল। গত রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

অধ্যাপক মেজবাহ কামাল বলেন, ‘আমরাও চাই ধূমপানমুক্ত সমাজ। কিন্তু যত দিন ধূমপান থাকবে, তত দিন বিড়ি থাকবে। ২০৪০ সালের মধ্যে সরকার বাংলাদেশকে ধূমপানমুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেছে। এ জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। বিড়িশিল্পে ২০ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। বিকল্প কর্মসংস্থান না করে এই শিল্প বন্ধ হলে শ্রমিকরা কোথায় যাবে?’ তিনি আরো বলেন, ‘গত বাজেটে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিড়িশিল্পের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিল। পরে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কিছুটা কমানো হয়েছিল। এর পরও যে শুল্ক আছে, সেটা অনেক বেশি। এই শিল্পকে কুটির শিল্প ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি।’

অধ্যাপক মেজবাহ কামাল বলেন, ভারত সরকার এই শিল্পকে কুটির শিল্প হিসেবে ঘোষণা করেছে। ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াতেও হাতে তৈরি বিড়িকে প্রণোদনা দেওয়া হয়। বাংলাদেশকেও বিড়িকে কুটির শিল্প ঘোষণা করতে হবে। এই শিল্পে জড়িত ৭৫ শতাংশ নারী। তাদের কথা মাথায় রাখতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিড়িশিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এম এ কে বাঙ্গালী। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক আ. রহমান, পাবনা জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের সভাপতি হারিক হোসেন, নোয়াখালী জেলা বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কাশেম আলী ও বরিশাল কারিগর বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি প্রণব চন্দ্র দেবনাথ।


মন্তব্য