kalerkantho


ভোজ্য তেলের ৬০% বিক্রি হচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ ছাড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



ভোজ্য তেলের ৬০% বিক্রি হচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ ছাড়া

ড্রামজাত খোলা ভোজ্য তেল বাজারজাতকারীদের বিরুদ্ধে ‘ভোজ্য তেল সমৃদ্ধকরণ আইন-২০১৩’ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পুষ্টি খাতের বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলেন, দেশে ব্যবহৃত মোট ভোজ্য তেলের ৬৫ শতাংশ ড্রামজাত খোলা তেল। এসব খোলা তেলের ৬০ শতাংশ ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণ ছাড়াই বাজারজাত করা হচ্ছে। এর ফলে তৃণমূল পর্যায়ে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। যেসব ড্রামে এ তেল বিক্রি হচ্ছে সেগুলো স্বাস্থ্যসম্মত নয় বলে তাঁরা মন্তব্য করেন।

খোলা ভোজ্য তেলে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে আয়োজিত জাতীয় কর্মশালায় গতকাল বক্তারা এ তাগিদ দেন। গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রেশনের সহায়তায় শিল্প মন্ত্রণালয় বাস্তবায়নাধীন ‘ফর্টিফিকেশন অব এডিবল অয়েল ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রাজধানীর একটি হোটেলে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

প্রকল্পের পরিচালক ও মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম প্রধান মোহাম্মদ তাসারফ হোসেন ফরাজীর সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. দাবিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইসিডিডিআরবির ঊর্ধ্বতন পরিচালক ডা. তাহমিদ আহমেদ। এতে বাংলাদেশে ভোজ্য তেল সমৃদ্ধকরণ পরিস্থিতি এবং মনিটরিং কার্যক্রম বিষয়ে পৃথকভাবে দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্পের সহকারী পরিচালক খন্দকার মুমতাহিনা সিদ্দিকী এবং বিএসটিআইয়ের উপপরিচালক প্রকৌশলী মো. নূরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক সরদার আবুল কালাম, বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের ডেপুটি হেড অব মিশন জেরেন স্টিগস এবং গেইন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. রুদাবা খন্দকার বক্তব্য দেন।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, দেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ভোজ্য তেলে ১৫ থেকে ৩০ পিপিএম মাত্রায় ভিটামিন ‘এ’ থাকা বাধ্যতামূলক। অথচ ৬৯ শতাংশ প্যাকেটজাত ভোজ্য তেলে ১৫ পিপিএম কিংবা এর সামান্য বেশি ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। অন্যদিকে ড্রামজাত ভোজ্য তেলের ৬০ শতাংশই ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণ ছাড়া বিক্রি হচ্ছে। তারা ড্রামজাত তেলে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণ তেল নিশ্চিত করতে লেবেলিং পদ্ধতি চালুর পরামর্শ দেন।



মন্তব্য