kalerkantho


হাইড্রোক্লিন এসি বাজারে

বাণিজ্য ডেস্ক   

৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



হাইড্রোক্লিন এসি বাজারে

হাইড্রোক্লিন এয়ারকন্ডিশনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এমপি, সড়ক ও সেতু বিভাগ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি একাব্বর হোসেন এমপি, হাইড্রোক্লিন গ্লোবালের সিইও জন সেন্ডারস, বেসিক ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল মজিদ, হাইড্রোক্লিন বাংলাদেশের এমডি রাফিউর রহমান খান ইউসুফজাই

বাজারে এলো হাইড্রোক্লিন এয়ারকন্ডিশনার (এসি)। এটি ইবিএসের একটি প্রতিষ্ঠান। গত ১ মার্চ সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে এর উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এমপি, সড়ক ও সেতু বিভাগ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি একাব্বর হোসেন এমপি, হাইড্রোক্লিন গ্লোবালের সিইও জন সেন্ডারস, বেসিক ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল মজিদ, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, হাইড্রোক্লিন বাংলাদেশের এমডি রাফিউর রহমান খান ইউসুফজাই এবং অন্য পরিচালকরা।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, অফিস-আদালত, কারখানা ও বাসা-বাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের পরিচর্যা সেবা দিতে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে হাইড্রোক্লিন। স্প্লিট সিস্টেম এসির আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধুয়ে বের করার অনন্য এক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে হাইড্রোক্লিন গ্লোবাল, যার সুবাদে বায়ুবাহিত দূষিত পদার্থের পরিমাণ যেমন কমে, তেমনি লক্ষণীয়ভাবে হ্রাস পায় এসি চালানোর খরচও।

২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়ায় যাত্রা শুরু করে ২২টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে হাইড্রোক্লিন সেবা। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এসি নিয়মিত পরিচর্যা কেন আবশ্যক, তা বোঝাতে তিনটি সরল যুক্তিই যথেষ্ট। প্রথমত, এয়ারকন্ডিশনারগুলো ধীরে ধীরে নোংরা হয়, ভেতরে ময়লা জমাট বাঁধে। ফলে কক্ষের ভেতরেও নোংরা হাওয়া ছড়াতে শুরু করে, বাড়ে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি। কারণ, দূষিত বাতাস ভেতরে ঢোকা মানেই তা আরো কলুষিত হয়ে বেরিয়ে আসা। যার ফলে হতে পারে অ্যাজমাসহ ফুসফুসের বিভিন্ন রোগ। দ্বিতীয়ত, ভেতরে ময়লা জমে যাওয়া একটা এয়ারকন্ডিশনার স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে, যা আর্থিক মূল্যে নেহাত কম নয়। তৃতীয়ত, যা বেশির ভাগ মানুষই হয়তো ভেবে দেখে না, একটি পরিচ্ছন্ন এসি টেকেও বেশি দিন। অপরিচ্ছন্ন হয়ে গেলে, এসিকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ করতে কাজ করতে হয় বেশি, তাই ক্ষয়েও যায় তাড়াতাড়ি।



মন্তব্য