kalerkantho


পুঁজিবাজারে সূচক আবারও নিম্নমুখী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



পুঁজিবাজারে দুই দিন ব্যাপক পতনের পর গত মঙ্গলবার শেয়ার কেনার চাপে পড়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বড় উত্থান ঘটে। তবে সেই ঊর্ধ্বমুখিতা স্থায়ী হয়নি। পরদিন গতকাল বুধবার আবারও দুই পুঁজিবাজারের সূচক কমেছে। যদিও লেনদেন বেড়েছে সামান্যই। আর বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দামও হ্রাস পেয়েছে।

চলতি বছরের শুরুর দিকে কয়েক দিন পুঁজিবাজার ঊর্ধ্বমুখী হলেও পরবর্তী সময় ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী হয়েছে বাজার। ক্রমাগত নিম্নমুখিতা নিয়ে বাজারসংশ্লিষ্টরা বৈঠকও করেছে। তাঁরা বলছেন, আসন্ন মুদ্রানীতি ও ব্যাংক ঋণ-আমানতের হার কমানোর ঘোষণায় বাজার নেতিবাচক। আর এর সঙ্গে একটি মহল গুজব ছড়িয়ে পতনকে দীর্ঘায়িত করেছে।

গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৯১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ৩০ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৩৮৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছিল প্রায় ৭১ পয়েন্ট।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, লেনদেন শুরুর পর শেয়ার কেনার চাপে সূচক কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হলেও পরে হ্রাস পেয়েছে। বেলা ১০টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত সূচক ঊর্ধ্বমুখিতার পর হ্রাস পেতে থাকে সূচক। এতে সূচক হ্রাসের মাধ্যমে বাজার শেষ হয়েছে। দিন শেষে সূচক দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৯৮ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক প্রায় ১১ পয়েন্ট কমে দুই হাজার ২৩৬ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ২.৫২ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৩৯২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ৩৩২টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৯টির, কমেছে ২১৪টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টি কম্পানির শেয়ারের দাম।

লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষে রয়েছে স্কয়ার ফার্মা। কম্পানিটির লেনদেন হয়েছে ৫১ কোটি ৪ লাখ টাকা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ড্রাগন সোয়েটারের লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ১ লাখ টাকা। আর তৃতীয় স্থানে থাকা গ্রামীণফোনের লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা আর সূচক কমেছে ৩৩ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ২৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছিল ৯৪ পয়েন্ট।



মন্তব্য