kalerkantho


বাংলাদেশের ক্রয়ে ভারতের রেকর্ড চাল রপ্তানি

বাণিজ্য ডেস্ক   

১৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বাংলাদেশের ক্রয়ে ভারতের রেকর্ড চাল রপ্তানি

বাংলাদেশের ক্রয়ের কারণে গত বছর ভারতের রেকর্ড চাল রপ্তানি হয়েছে। দেশটির ব্যবসায়ীরা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, ২০১৭ সালে ভারতের চাল রপ্তানি ২২ শতাংশ বেড়ে হয়েছে রেকর্ড ১২.৩ মিলিয়ন টন। আশা করা হচ্ছে এ বছরও রপ্তানি বাড়বে। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ব্যাপকভাবে চাল আমদানি অব্যাহত রাখায়। এ ছাড়া দ্বিতীয় বৃহৎ রপ্তানিকারক দেশ থাইল্যান্ডের চালের মজুদ কমে গেছে।

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের চাল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান শ্রী ললিথার নির্বাহী পরিচালক আদিশঙ্কর বলেন, ২০১৭ সালে পুরো বছরই বাংলাদেশ ভারত থেকে ব্যাপকভাবে চাল কিনেছে। ফলে আফ্রিকা থেকে চাহিদা কিছু কমলেও বাংলাদেশের কারণে আমাদের পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। ভারতের রপ্তানিকারকরা জানান, বাংলাদেশের ক্রয়ের কারণে ভারতের নন-বাসমতি চাল রপ্তানি গত বছর ৩৮ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৮.৪ মিলিয়ন টন। মোট চাল রপ্তানি হয় ১২.৩ মিলিয়ন টন। এতে ২০১৪ সালের রেকর্ড ১১.৫ মিলিয়ন টন রপ্তানিকে অতিক্রম করা সম্ভব হয়েছে। তবে এ হিসাবে জানুয়ারি থেকে নভেম্বরের রপ্তানি ধরা হয়েছে, এর পাশাপাশি ডিসেম্বরের রপ্তানি অনুমান করা হয়েছে।

ভারত সাধারণত নন-বাসমতি চাল আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে পাঠায়, আর প্রিমিয়াম বাসমতি চাল রপ্তানি করে মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনে। গত বছর বাংলাদেশ আমদানির ৮০ শতাংশ চালই নিয়েছে ভারত থেকে, যা ২.৪ মিলিয়ন টন।

অল ইন্ডিয়া রাইস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট বিজয় সেঠিয়া বলেন, এ বছর ভারতের বাসমতি চাল রপ্তানি আগের বছরের মতো কম বেশি ৪ মিলিয়ন টনে থাকবে। এ ছাড়া রপ্তানি বাড়বে কি না তার পুরোটাই নির্ভর করছে নন-বাসমতি চালের ওপর। আর এ চাল রপ্তানি কেমন হবে তা নির্ভর করবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা থেকে কেমন আমদানি করা হয় তার ওপর।

তিনি বলেন, গত বছর আফ্রিকার দেশগুলো থাইল্যান্ড থেকে ক্রয় বাড়ানোর ফলে দেশটির মজুদ কমে যায়। ফলে ভারতই হয়ে ওঠে রপ্তানির জন্য বড় ভরসা। এ বছরও বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার কাছে থাইল্যান্ডের চেয়ে সুবিধা বেশি পাবে ভারত। রয়টার্স।



মন্তব্য