kalerkantho


পুঁজিবাজারের মূলধন শীর্ষে

কমেছে লেনদেন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



নতুন বছরের শুরুতেই শীর্ষে পৌঁছেছে পুঁজিবাজারের মূলধন। ২০১০ সালে ধসের পর ২০১৭ সালে নতুন গতিতে ঘুরে দাঁড়ায় বাজার। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের শুরুতে আবারও মূলধন শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছেছে। আর পুঁজিবাজার চালুর পর থেকে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছেছে এই মূলধন।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিবছরই নতুন নতুন কম্পানি তালিকাভুক্ত হচ্ছে। বাজারের পরিধিও বেড়েছে। যতটা এগিয়ে যাওয়ার কথা সেভাবে এগোয়নি পুঁজিবাজার। ২০১০ সালে ধসের পর আস্থাহীনতায় ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাজার। তবে আইন-কানুন সংস্কার ও নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে বাজার নতুন গতি পায়। পুরনো বিনিয়োগকারীরা নতুন করে সক্রিয় হয়। সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস গতকাল বুধবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে চার লাখ ২৮ হাজার ৫০৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

গতকাল দেশের দুই পুঁজিবাজারে সূচক বেড়েছে, তবে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। যদিও আগের দিন দুই বাজারেই সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছিল। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৭৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছে ৩৮ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৬০৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছিল ২৫ পয়েন্ট।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, লেনদেন শুরুর পর থেকে শেয়ার কেনার চাপ বাড়তে থাকে। এতে সূচক ঊর্ধ্বমুখী হলেও লেনদেন অনেকটা ধীর গতিতে চলে। দিন শেষে সূচক দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৩১৮ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে দুই হাজার ৩০১ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ৯.৫৭ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৪১১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ৩৩৬টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯৫টির, কমেছে ১০১টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টি কম্পানির শেয়ারের দাম। লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষে রয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ার।

সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছে ৭৪ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৩৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছিল ৩৮ পয়েন্ট। দিন শেষে সূচক দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৮১৫ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ২৩০টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৩টির, কমেছে ৬৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি কম্পানির শেয়ারের।



মন্তব্য