kalerkantho


অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক

মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৫.৯৩ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে অর্থাৎ (অক্টোবর-ডিসেম্বর) দেশের গড় মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫.৯৩ শতাংশ। এর আগের তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫.৮৬ শতাংশ। তবে মাস হিসেবে বছরের সর্বশেষ মাস ডিসেম্বরে গড় মূল্যস্ফীতির হার কমে ৫.৮৩ শতাংশে নেমে এসেছে। এর আগে নভেম্বরে এই হার ছিল ৫.৯১ শতাংশ। এর আগের মাসে ছিল ৬.০৪ শতাংশ। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তবে গড় মূল্যস্ফীতির হার কমলেও খাদ্যের মূল্যস্ফীতির হার বাড়ছে। ডিসেম্বরে খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে হয়েছে ৭.১৩ শতাংশ, যা নভেম্বরে ছিল ৭.০৯ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৩.৮৫ শতাংশ, যা নভেম্বরে ছিল ৩.৬১ শতাংশ।

সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় দ্বিতীয় প্রান্তিকে গড় মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে। হঠাৎ বন্যা ও অতিবৃষ্টিই এ মূল্যস্ফীতির হার বাড়ার কারণ। তবে আগামী এক মাসের মধ্যেই মূল্যস্ফীতির হার কমে যাবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘চালের দাম কম রাখতে সরকার সব ধরনের ব্যবস্থাই নিয়েছে। চাল আমদানিতে শুল্ক কমিয়েছে। কৃষকদের কাছ থেকে বেশি দামে ধান ক্রয় করছে। কৃষকদের কম দামে বীজ এবং কম দামে চাল বিক্রি করা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত লাভ পেয়েছেন মিলাররা। চাল ব্যবসার সঙ্গে যারা যুক্ত আছে তারা লাভবান হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকার আর কী করতে পারে।’ তবে বেশি লাভ করার ফল ভালো হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, দ্বিতীয় প্রান্তিকে গ্রামে গড় মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫.৯৭ শতাংশে। প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৫.৮৪ শতাংশ। শহরেও প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় দ্বিতীয় প্রান্তিকে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫.৮৬ শতাংশে, যা প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৫.৯১ শতাংশ।



মন্তব্য