kalerkantho


আজ থেকে শুরু শেরেবাংলানগরে

২০২০ সালে বাণিজ্য মেলা হবে রাজধানীর পূর্বাচলে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



২০২০ সালে বাণিজ্য মেলা হবে রাজধানীর পূর্বাচলে

মেলা প্রাঙ্গণে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ছবি : কালের কণ্ঠ

২০২০ সালে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর পূর্বাচলে নির্মাণাধীন স্থায়ী বাণিজ্য মেলা প্রাঙ্গণে। গতকাল রবিবার শেরেবাংলানগরে ২০১৮ সালের ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১৮ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমন আশা করেন।

বাণিজ্য মেলার সার্বিক প্রস্তুতি জানাতে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যসচিব শুভাশিষ বসু এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য্য। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ইপিবি যৌথভাবে ২৩তম এ মেলার আয়োজন করছে।

সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছরের মতো এবার বছরের প্রথম দিনেই শুরু হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। আজ সোমবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এ মেলা সার্বিকভাবে সুন্দর হয় এ জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সাধারণ মানুষের বিনোদনের মেলা উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ আরো বলেন, এবারের মেলা অতীতের যেকোনো মেলা থেকে আরো সুন্দর এবং আকর্ষণীয় হবে। তাঁর বিশ্বাস জনগণ মেলায় এসে স্বাচ্ছন্দ্যভাবে উপভোগ করবে।

মেলার বিশেষ আকর্ষণ বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়নের কথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, এবারের বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন হবে অন্যবারের চেয়ে দ্বিগুণ পরিসরে। পুরো প্যাভিলিয়ন সাজানো হয়েছে আকর্ষণীয়ভাবে। ফলে নতুন প্রজন্ম এই মেলা পরিদর্শন করে ইতিহাসকে নতুনভাবে জানতে পারবে। এ ছাড়া মেলায় স্টল খুঁজতে এবার কোনো বেগ পেতে হবে না। কেননা ডিজিটাল অ্যাপসের মাধ্যমে সহজেই স্টলের লোকেশন জানা যাবে।

এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মেলার স্টল বরাদ্দ নিয়ে কোনো তদবির বা পক্ষপাত করা হয় না। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং লটারির মাধ্যমে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

বাণিজ্য মেলায় রপ্তানির আদেশ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবছরই মেলায় রপ্তানি আদেশ বাড়ে। গত বছর রপ্তানি আদেশ এসেছিল ২৪৩ কোটি টাকা। এবার সেটা আরো বাড়বে বলে আশা করা যায়। কারণ মেলা হবে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে সুশৃঙ্খল।’

ইপিবি ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য্য জানান, ‘মেলায় এবার স্টল ও প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ৫৮৯টি। বড় প্যাভিলিয়ন ১১২টি, মিনি প্যাভিলিয়ন ৭৭টি ও বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট স্টলের সংখ্যা ৪০০টি।’ মেলায় দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের স্টল ও প্যাভিলিয়ন মিলিয়ে এবার ৫৮৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।

এবারের মেলায় থাকছে ফ্লাওয়ার গার্ডেন, ই-শপ, শিশু পার্ক, প্রাইমারি হেলথ সেন্টার, মা ও শিশু কেন্দ্র, রক্তসংগ্রহ কেন্দ্রসহ ৩২ ধরনের অবকাঠামো। মেলায় বিদেশি অংশগ্রহণকারী হিসেবে ১৭টি দেশের ৪৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য খোলা থাকবে। প্রবেশ মূল্য রাখা হয়েছে ৩০ টাকা।



মন্তব্য