kalerkantho


বস্ত্র ও পোশাক খাতে তিন হাজার একর জমি দেবে বেজা

এম সায়েম টিপু   

১৭ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০



বস্ত্র ও পোশাক খাতে তিন হাজার একর জমি দেবে বেজা

দেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের উন্নয়নে বস্ত্র ও পোশাক পল্লী করতে ২০১৮ সালের মধ্যে ৩ হাজার একর জমি দেওয়া হবে। এরই মধ্যে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর জন্য ৫০০ একর জমি বরাদ্দের প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও বিজিএমইএ সূত্র জানায়, মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে পোশাক ও বস্ত্র খাতের জন্য টেক্সটাইল ভিলেজ হিসেবে আলাদা জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। বর্তমানে এ খাতে বিনিয়োগের জন্য দেড় হাজার একরের ওপর রিকুইজিশন আছে। বেজার প্রত্যাশা এই দেড় হাজারসহ মোট ৩ হাজার একর জায়গা বস্ত্র খাতের জন্য বরাদ্দ দিতে সরকারের পক্ষ থেকে কাজ চলছে। বিজিএমইএ জানায়, সংস্কার চাপে ইতিমধ্যে প্রায় দেড় হাজারের বেশি তৈরি পোশাক খাতের কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়া জাতীয় কর্মসূচির আওতায় অনেক কারখানা সংস্কারের অভাবে চালাতে পারছে না। তাই বেজার কাছে আপাতত ৫০০ একর জমির বরাদ্দের জন্য চাহিদাপত্র দেওয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, দেশের সর্ববৃহৎ মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে এই জমি বরাদ্দের জন্য আবেদন করা হয়েছে। এসব জমি তাদের আগ্রহী সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে বরাদ্দ দেওয়া হবে। এর প্রতিটি প্লট হবে এক একর আর প্রস্তাবিত মূল্য হবে এক কোটি টাকা।

এই টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে এবং লিজ হিসেবে দেওয়া হবে ৫০ বছরের জন্য।

বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান কালের কণ্ঠকে বলেন, বস্ত্র ও পোশাক খাতের জন্য বেজা এরই মধ্যে জমি বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ জন্য ৪৫০ থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করা হচ্ছে। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি নিজস্ব অর্থায়নে ২০০ এমএমসি গ্যাসের জন্য ডেডিকেটেড পাইপলাইন স্থাপন করেছে। এ ছাড়া বেজা নিজস্ব অর্থায়নে আরো ৩০০ এমএমসি গ্যাসের লাইন বসানোর কাজ করছে। এরই মধ্যে ২টি বিদ্যুৎ লাইনও করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুসারে সেখানে সারফেস ওয়াটারের জন্য ২ হাজার একরের মতো জায়গায় ওয়াটার রিজার্ভার করার কাজ চলছে। পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর জন্য বেজার ইকোনমিক জোন হবে একটি কমপ্লিট সলিউশন।

এ প্রসঙ্গে বিজিএমইএ সহসভাপতি মোহাম্মদ নাসির কালের কণ্ঠকে বলেন, মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিজিএমইএ সদস্যদের জন্য জায়গা চাওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকেও আমরা ইতিবাচক সারা পেয়েছি। সে হিসেবে আমাদের সদস্যের চাহিদা জানতে ইতিমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য