kalerkantho


সমুদ্র অর্থনীতির সুফলে আঞ্চলিক সম্পর্ক বাড়ানোর তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ জুন, ২০১৭ ০০:০০



সমুদ্র অর্থনীতির সুফলে আঞ্চলিক সম্পর্ক বাড়ানোর তাগিদ

নীল সমুদ্র অর্থনীতি থেকে সুফল পেতে বিমসটেকভুক্ত সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক যোগাযোগ জোরদার করার ওপর তাগিদ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। গতকাল রবিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ব্লু-ইকোনমি বাংলাদেশ এবং বে-অব-বেঙ্গল রিজিওনাল কো-অপারেশন’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ তাগিদ দেন।

সেমিনারে নীল সমুদ্র অর্থনীতি বাস্তবায়ন এবং সেখান থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে হলে বাংলাদেশ এবং বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক সব সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

আমেরিকান সেন্টারের সহযোগিতায় এবং কোস্ট ট্রাস্টের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী। সেমিনারে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি ডা. দীপু মনি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিমসটেকের মহাসচিব রাষ্ট্রদূত সুমিত নাখান্দালা এবং রয়েল ভুটান এমবাসির ফার্স্ট সেক্রেটারি দোমাং, শ্রীলঙ্কান হাইকমিশনার মিসেস ইয়াসুজা গুনাসেকারা। সেমিনারে ব্লু-ইকোনমির ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লাইলুফার ইয়াসমিন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সায়েন্সের অধ্যাপক শাহাদাৎ হোসান। ব্লু-ইকোনমি বিষয়ে বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর বিভিন্ন লেখকদের লেখার ওপর একটি সারাংশ উপস্থাপন করেন কোস্ট ট্রাস্টের পরিচালক সনৎ কুমার ভৌমিক।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের অর্থনীতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ইতিহাস বহু বছরের পুরনো, যা বিমসটেক সদস্য দেশগুলোকে আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং যোগাযোগ বাড়াতে উদ্বুদ্ধ করবে।

অধ্যাপক শাহাদাৎ বলেন, ভবিষ্যৎ অর্থনীতির চালিকাশক্তি হতে পারে ব্লু ইকোনমি। যদিও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের এ ক্ষেত্রে সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে।

অধ্যাপক লাইলুফার বলেন, ‘একবিংশ শতাব্দী হচ্ছে আঞ্চলিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্র এবং আমাদের জ্ঞান ও অর্থনীতি পূর্বীয়করণের বিষয়। বিমসটেক হচ্ছে আমাদের জন্য এ ক্ষেত্রে এটি অপূর্ব সুযোগ। ’


মন্তব্য