kalerkantho


‘দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রয়েছে ক্ষুদ্রঋণের’

বাণিজ্য ডেস্ক   

১৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্রঋণের অবদান রয়েছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আয়বর্ধক কাজে সম্পৃক্ত করা হলে দারিদ্র্য বিমোচন টেকসই হবে।

একই সঙ্গে সরকারের নানা সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণও জরুরি। বিএফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত বিতর্ক অনুষ্ঠান ইউসিবি পাবলিক পার্লামেন্টে সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান এই মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

ড. মোস্তাফিজ আরো বলেন, ক্ষুদ্রঋণের বড় একটি সমস্যা হলো ঋণগ্রহীতারা কেউ কেউ একটি সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ করতে গিয়ে আবার অন্য একটি সংগঠন থেকে ঋণ নিচ্ছে, যা তাদের দারিদ্র্য চক্রেই আবর্তিত রাখছে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্ষুদ্রঋণের সমস্যা দেখা গেলেও সামগ্রিকভাবে দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্রঋণের অবদান রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশে এখনো দেড় কোটি লোক চরম দরিদ্র এবং তিন কোটি লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। বর্তমানে জিডিপির ২.২ শতাংশ সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় হলেও এ খাতে জিডিপির ৪ শতাংশ বরাদ্দ করা প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, দারিদ্র্য একটি অভিশাপ।

অভিযোগ রয়েছে ক্ষুদ্রঋণের জাঁতাকলে পড়ে অনেক দরিদ্র মানুষ তাদের সহায়-সম্বল হারিয়ে পথে বসেছে। আবার অনেক দরিদ্র মানুষের ক্ষুদ্রঋণের উপকারভোগী হিসেবে ঘুরে দাঁড়ানোর চিত্রও রয়েছে।


মন্তব্য