kalerkantho


বিজিএমইএ জব ফেয়ারে এক দিনেই চাকরি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



বিজিএমইএ জব ফেয়ারে এক দিনেই চাকরি

মেলায় কর্মী নিয়োগের জন্য অংশ নেয় শীর্ষস্থানীয় ৩০ কম্পানি

নিটিংয়ের ওপর প্রশিক্ষণ নেওয়া ছিল সাবিহা আক্তারের। কিন্তু এত দিন ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ মিলছিল না। ছিলেন সুযোগের অপেক্ষায়। অবশেষে সে সুযোগ এনে দিল তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। বিজিএমইএ ও স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রগ্রামের (সেইপ) উদ্যোগে আয়োজিত জব ফেয়ারে এসে সকালে সিভি জমা দিয়ে বিকেলে হলো ভাইভা। আর ভাইভা শেষে মিলল একটি প্রতিষ্ঠিত গার্মেন্ট প্রতিষ্ঠানে চাকরির নিয়োগপত্র। এতে সে অনেক খুশি। শুধু সাবিহা আক্তার নন, তাঁর মতো হাজারো চাকরিপ্রার্থী এসেছিলেন গতকালের বিজিএমইএ জব ফেয়ারে। সাবিহার মতো গতকালই কেউ পেয়েছেন নিয়োগপত্র, কেউ সিভি জমা দিয়েছেন আবার কেউ ভাইভা দিয়ে অপেক্ষায় রয়েছেন নিয়োগপত্র পাওয়ার। সকালে মেলার উদ্বোধনের পর থেকেই ভিড় জমতে থাকে চাকরিপ্রার্থীদের। সে ভিড় অব্যাহত ছিল দিন শেষে সন্ধ্যা অবধি।

চাকরিপ্রার্থীরা মেলায় বিভিন্ন স্টল ঘুরে নিজেদের পছন্দের কম্পানি ও পদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য জীবনবৃত্তান্ত জমা দিচ্ছেন। গতকাল শনিবার রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোডসংলগ্ন আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় এক দিনের এ মেলা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

মেলায় দেশের বিভিন্ন খাতের শীর্ষস্থানীয় ৩০টি কম্পানির স্টল রয়েছে। এসব কম্পানি মেলায় আগত চাকরিপ্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত নেওয়ার পাশাপাশি প্রশিক্ষিত যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেয়। মেলায় অংশ নেওয়া ম্যাস ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল গার্মেন্টের কমপ্লায়েন্স অফিসার একরামুল হায়দার চৌধুরী বলেন, সাতটি পদে আমরা কর্মী নিয়োগ দেব। এ জন্য সিভি নিচ্ছি।

চাকরি মেলায় এসেছেন ঢাকা কলেজের জাব্বারুল আলম। প্রশিক্ষণ নিয়েছেন কমপ্লায়েন্সের ওপর। তিনি বলেন, মেলায় ছয়টি প্রতিষ্ঠানে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছি। বিকেলে দুটি প্রতিষ্ঠানে ভাইভা দিয়েছি এবং সন্ধ্যায় নিয়োগপত্র পাই ইপিলিয়ন গার্মেন্টে। এর আগে সকালে বিজিএমইএ-সেইপ জব ফেয়ারের উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশি পণ্যের দাম বাড়ানোর বিষয়ে পোশাক শিল্পের শ্রমিক সংগঠনগুলোকে জোর দেওয়া উচিত। আমাদের রপ্তানির সিংহভাগ আসে পোশাক খাত থেকে। সম্প্রতি এ খাতের রপ্তানি আয় কমে গেছে। এর কারণ বৈদেশিক মুদ্রার মান কমে যাওয়া। এ খাতে রপ্তানি আয় বাড়াতে হলে পণ্যের দাম বাড়াতে হবে। এ জন্য শ্রমিক সংগঠনগুলোকে ক্রেতাদের দাম বাড়ানোর বিষয়ে জোর দিয়ে বলা উচিত।


মন্তব্য