kalerkantho


তথ্য-প্রযুক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ ৯ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



তথ্য-প্রযুক্তিতে নারীর

অংশগ্রহণ ৯ শতাংশ

তথ্য-প্রযুক্তিতে দেশে নারীদের অংশগ্রহণ মাত্র ৯ শতাংশ। নারী-পুরুষের অংশগ্রহণের অনুপাত ৫০:৫০ করতে একটি ইকোসিস্টেম তৈরির কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলক।

তিনি বলেন, উইমেন অ্যান্ড আইসিটি ফ্রন্টিয়ার ইনিশিয়েটিভের (ওয়াইফাই) মাধ্যমে ২০১৮ সালের মধ্যে আরো ৩০ হাজারেরও বেশি নারী উদ্যোক্তা গড়ে তোলা হবে।

গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে উইমেন অ্যান্ড আইসিটি ফ্রন্টিয়ার ইনিশিয়েটিভের (ডাব্লিউআইএফআই) প্রি লঞ্চিং ইভেন্টের সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকারের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবির কিশোর চৌধুরী, এশিয়া ফাউন্ডেশনের ডেপুটি কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ সারা টেইলর, ইউএনডিপির জেন্ডার অ্যান্ড পার্টনারশিপ স্পেশালিস্ট মেলিসা বালজান প্রমুখ।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ওয়াইফাই উদ্যোগ নারী উদ্যোক্তাদের জীবন, পরিবার এবং সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে। ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে ২০ হাজার নারীকে ফ্রি-ল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে উচ্চতর পর্যায়ের ফ্রি-ল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে, আগামী তিন বছরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে দুই লাখ ৬০ হাজার নারীকে টেকসই নারী উন্নয়নে প্রশিক্ষণ প্রদান করতে মোবাইল ট্রেনিং বাস চালু করা হয়েছে, ন্যাশনাল হাই-স্কুল প্রগ্রামিং কনটেস্টের আওতায় নারীদের জন্য প্রগ্রামিং প্রতিযোগিতা চালু করা হয়েছে। নারীর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও তথ্য-প্রযুক্তিতে নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে এসব কার্যক্রম আরো বেশি ফলপ্রসূ ও টেকসই হবে। ফলে নারীরা সমাজ উন্নয়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক ও জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে।  

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনার জুলিয়া নিবলেট বলেন, এ দেশের নারীরা ই-কমার্স ও এফ-কমার্সে এগিয়ে এসেছে।

তারা তাদের মেধার স্বাক্ষরও রাখছে। এবার ওয়াইফাই কার্যক্রমের মাধ্যমে এ দেশের উদ্যোমী নারীদের সঙ্গে যেহেতু আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ও সরকারের সহযোগিতা যুক্ত হলো, তাই ওরা আরো এগিয়ে যাবে।

ইউএনএসকাপ-এপিসিআইসিটির এ ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগের মাধ্যমে ইতিমধ্যে ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া ও কাজাকিস্তানে এ কার্যক্রম চালু হয়েছে। বাংলাদেশেও এ কার্যক্রম চালু করতে ইতিমধ্যে এই উদ্যোগের আওতায় প্রশিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ (টিওটি) কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দুটি ব্যাচে ২০ জনের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে।


মন্তব্য