kalerkantho


বিনিয়োগ সম্ভাবনায় শীর্ষে মালয়েশিয়া

বাণিজ্য ডেস্ক   

১৫ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



বিনিয়োগ সম্ভাবনায় শীর্ষে মালয়েশিয়া

বিশ্বের অন্যতম ব্যবসা কেন্দ্র হয়ে উঠেছে এখন কুয়ালালামপুর

বিনিয়োগ সম্ভাবনায় বিশ্বে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মালয়েশিয়া। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এশিয়ার আরেক দেশ সিঙ্গাপুর, ষষ্ঠ স্থানে ভারত, সপ্তম স্থানে থাইল্যান্ড এবং ইন্দোনেশিয়া রয়েছে দশম স্থানে।

২০১৭ সালে বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত দেশের তালিকা তৈরি করেছে যৌথভাবে বিএভি কনসালটিং, ওয়াই অ্যান্ড আর ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি এবং হোয়ার্টন স্কুল অব ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া। এতে ১০০ পয়েন্ট স্কোরের মধ্যে ৩০ পয়েন্ট পেয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়া। বিশ্বের ছয় হাজার ব্যবসায়ী নীতিনির্ধারকের মতামতের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে এ তালিকা। এতে একটি দেশের আট বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। বিষয়গুলো হচ্ছে দুর্নীতি, গতিময়তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ, অনুকূল কর পরিবেশ, উদ্ভাবন, দক্ষ শ্রমশক্তি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা।

এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নীতিনির্ধারকরা যেসব দেশকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন সেভাবেই তালিকা সাজানো হয়েছে। জরিপে একই সঙ্গে বিশ্বের চারটি অঞ্চলের ২১ হাজার অংশগ্রহণকারীর মতামত নিয়ে ২০১৭ সালের জন্য সেরা দেশের তালিকাও তৈরি করেছে। তাতে শীর্ষ স্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ড। আর মালয়েশিয়ার অবস্থান ৩৫তম।

ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্টের মতে, এ র্যাংকিংয়ে মালয়েশিয়া সবার চেয়ে এগিয়ে। বিনিয়োগ সম্ভাবনায় দেশটির সাফল্যের বড় কারণ সরকারের ব্যবসাবান্ধব নীতি ও বিনিয়োগকারীদের নানা প্রণোদনা দেওয়া। এর ফলে বিশ্বের শীর্ষ এফডিআই গ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া অন্যতম। বর্তমানে দেশটির জিডিপি ৩৩৮.১ বিলিয়ন ডলার, জনসংখ্যা ৩০.৩ মিলিয়ন এবং পিপিপি অনুযায়ী মাথাপিছু জিডিপি ২৬ হাজার ২১১ ডলার। বলা হয়, প্রতিবছর বিশ্বের এফডিআই (সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ) আসে এক ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি। যে বিষয়গুলো একটি দেশকে বিনিয়োগের জন্য অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তোলো সেগুলো হচ্ছে দেশটির জনগণ, পরিবেশ, সম্পর্ক, কাঠামো এবং শিক্ষা। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে একটি দেশের চারটি বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে, যা একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বিনিয়োগে উৎসাহিত করে। বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে প্রাকৃতিক সম্পদ, বাজারব্যবস্থা, দক্ষতা এবং প্রযুক্তি ও ব্র্যান্ডের মতো কৌশলগত সম্পদ। এ তালিকায় শীর্ষে থাকা সিঙ্গাপুর ও ভারতের মতো দেশগুলোয় কর্মোদ্যম একঝাঁক তরুণ ও শিক্ষিত শ্রেণি রয়েছে। যারা বাজার চাহিদা অনুযায়ী নিজেদের শ্রম দিতে পারে। জরিপে শীর্ষ দশে থাকা দেশ হচ্ছে তৃতীয় চেক রিপাবলিক, চতুর্থ ডেনমার্ক, পঞ্চম পোল্যান্ড, ষষ্ঠ ভারত, সপ্তম থাইল্যান্ড, অষ্টম ইসরায়েল, নবম কাতার এবং দশম ইন্দোনেশিয়া।


মন্তব্য