kalerkantho


এনবিআরের সঙ্গে ডিসিসিআইয়ের প্রাক-বাজেট আলোচনা

মূসক ৭ শতাংশ করার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



মূসক ৭ শতাংশ করার দাবি

গতকাল এনবিআর কার্যালয়ে ডিসিসিআইয়ের সঙ্গে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান। ছবি : কালের কণ্ঠ

আগামী অর্থবছরের বাজেটে আইন পরিবর্তন করে খুচরা পর্যায়ে ভ্যাট বা মূসক ১৫ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ ধার্যের প্রস্তাব করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই)।

গতকাল রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাশেম খান এ দাবি করেন।

তিনি বলেন, ‘নতুন ভ্যাট আইনে সরকার সবার উপর খুচরা পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করেছে। দেশের কর্মসংস্থানের ৭৫ শতাংশ হয় এমএসএমই খাতের মাধ্যমে। শিল্প খাতে চাকরির ৮০ শতাংশই এমএসএমইভিত্তিক। তাই নতুন ভ্যাট আইনে খুচরা পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের ফলে এসএমই ব্যবসায়ীরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। তাই নতুন আইনে ভ্যাট ১৫ শতাংশের পরিবর্তে ৭ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি। ’

তিনি বড় ব্যবসায়ীদের বার্ষিক টার্নওভার ট্যাক্স লিমিট ৮০ লাখ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে এক কোটি ২০ লাখ টাকা, খুচরা ব্যবসায়ীদের টার্নওভার শূন্য থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ভ্যাটমুক্ত ও ৫০ লাখ টাকা থেকে এক কোটি ২০ লাখ পর্যন্ত ৩ শতাংশ করেন। এ ছাড়া প্রত্যেক ভ্যাট রেজিস্ট্রেশনকারীকে সরকারি খরচে ইসিআর মিশন স্থাপনসহ ভ্যাট স্মার্ট কার্ড সরবরাহের প্রস্তাব করেন।

ডিসিসিআই সভাপতি ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৩ লাখ টাকা, পরবর্তী ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ, ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত ১৫ শতাংশ, ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ২০ শতাংশ ও অবশিষ্ট আয়ের ওপর ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন। এ ছাড়া মহিলা করদাতা ও ৬৫ বছর বয়সের বেশি করদাতার ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা, প্রতিবন্ধী করদাতার করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করেন।

প্রাক-বাজেট আলোচনায় সভাপতির বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান বলেন, ‘এনবিআর ডিসিসিআইয়ের প্রস্তাবগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবে। করসেবা বাড়াতে বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন শহরে আয়কর ক্যাম্প চালু করবে এনবিআর। ’


মন্তব্য