kalerkantho


আরো ২০২৮ গরিব শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিল ডাচ্-বাংলা ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



আরো ২০২৮ গরিব শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিল ডাচ্-বাংলা ব্যাংক

এক শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির চেক তুলে দিচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ছবি : কালের কণ্ঠ

বেসরকারি ব্যাংক যে হারে বৃত্তি দিচ্ছে, তা দিয়ে একজন শিক্ষার্থী ভালোভাবে শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করতে পারে। কিন্তু সরকার এখনো সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি।

এ ক্ষেত্রে সরকারি বৃত্তি বাড়াতে জনগণকে আরো বেশি করে কর বা রাজস্ব দিতে হবে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

গতকাল শনিবার রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘ডাচ্-বাংলা ব্যাংক বৃত্তি প্রদানের ক্ষেত্রে একটি ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তারা যে পরিমাণ সাহায্য দিচ্ছে তা দিয়ে একজন শিক্ষার্থী সুন্দরভাবে শিক্ষাজীবন শেষ করতে পারে। সরকারও বৃত্তি বাড়িয়েছে। তবে এখনো ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। ’

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমি আশা করি, এটা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। তবে সরকারি বৃত্তি বাড়াতে জনগণের সহযোগিতার প্রয়োজন। এ জন্য তাদের বেশি করে কর দিতে হবে।

রাজস্ব বাড়াতে হবে। তাহলে সরকার এর সদ্ব্যবহার করতে পারবে। ’

অনুষ্ঠানে ২০১৬ সালে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দুই হাজার ২৮ জন গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়ার ঘোষণা দেয় ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। স্নাতক পর্যায়ের লেখাপড়া শেষ হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে দুই হাজার ৫০০ টাকা করে এই বৃত্তি পাবে। এ ছাড়া বছরে পাঠ্য উপকরণের জন্য পাঁচ হাজার টাকা এবং পোশাক-পরিচ্ছদের জন্য এক হাজার টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠানের সামাজিক দায় বা করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি-সিএসআর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই বৃত্তি দিচ্ছে ব্যাংকটি।

এ পর্যন্ত ৪৩ হাজার ৬২৮ জন শিক্ষার্থী ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের বৃত্তি পেয়েছে, যার মধ্যে বর্তমানে বিভিন্ন স্তরের ১৮ হাজার ১৬১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তির সুযোগ গ্রহণ করছে। ব্যাংকটি বৃত্তির ৯০ শতাংশই দেয় গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের এবং বৃত্তিপ্রাপ্তদের ৫০ শতাংশই দেওয়া হয় নারী শিক্ষার্থীদের। অনুষ্ঠানে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদ বলেন, ‘আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কোনো শিক্ষার্থীর পড়ালেখা যেন বন্ধ না হয়, সেই লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৭ সাল থেকে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এই বৃত্তি দেওয়া শুরু করে। আমাদের বিশ্বাস, এই বৃত্তি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে বাংলাদেশের উন্নয়নে যুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দেবে। ’


মন্তব্য