kalerkantho


বিরল সীমান্ত দিয়ে এলো ভারতের পাথরবাহী ট্রেন

দিনাজপুর প্রতিনিধি   

৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



বিরল সীমান্ত দিয়ে এলো ভারতের পাথরবাহী ট্রেন

দিনাজপুরের বিরল সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পাথরবাহী একটি ট্রেন বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে গতকাল বুধবার। সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান ও মিয়ানমারে রেলপথে বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনের চুক্তি অনুযীয় এ ট্রেন এলো।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, রেলপথে পণ্য পরিবহনে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে খরচ ও সময় সাশ্রয় হবে। এর পাশাপাশি উন্নয়নসহ কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে এলাকার মানুষ।

রেলওয়ের প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের রাধিকাপুরের সঙ্গে বাংলাদেশের দিনাজপুরের বিরল পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশন (স্টেশন) পঞ্চগড় পর্যন্ত দেড় শ কিলোমিটার সিঙ্গেল গ্রেজ রেলপথ ডুয়াল গেজে পরিণত করা হয়েছে। পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের সুবিধার্থে এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রসারণ কাজ শেষ হয়েছে গত বছরের জুনে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে আমদানি ও রপ্তানির কাজ ত্বরান্বিত করতে অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণসহ ২০০২ সালে বিরলসহ ১৩টি শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দরে রূপান্তর করেছে সরকার।

ভারতের রাধিকাপুর স্টেশন থেকে পাথরবোঝাই ৪২টি ওয়াগনের পরীক্ষামূলক একটি চালান গতকাল বিকেলে বিরল স্টেশনে টেনে এনেছে বাংলাদেশি রেল ইঞ্জিন। এর আগে সকাল সাড়ে ১১টায় ভারতে ওয়াগন আনতে যায় ইঞ্জিনটি। পাথরবাহী ট্রেনটির শেষ গন্তব্য সিরাজগঞ্জ জেলায়।

রেলপথে পণ্য পরিবহনের ফলে জাতীয় রাজস্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে ব্যবসায়ীরা।

জানা যায়, ব্রিটিশ আমলে অবিভক্ত ভারত এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ওই মিটার গেজ রেলপথে নেপাল, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশে সীমিতসংখ্যক পণ্যবাহী ট্রেন চলত বিরল স্টেশন হয়ে। কিন্তু ভারত রাধিকাপুর পর্যন্ত রেলপথ ব্রড গেজে পরিণত করায় প্রায় ১৩ বছর ধরে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছিল সার্কভুক্ত ওই সব দেশের মধ্যে।

প্রায় এক যুগ বাদে আবারও রেলপথে পণ্য পরিবহন চালু হওয়ায় বিরলে স্থলবন্দরের উন্নয়নসহ কর্মসংস্থানের আশা করছেন ওই এলাকার মানুষ। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় খুশি তারা।

 


মন্তব্য