kalerkantho


পুঁজিবাজারে লেনদেন ৮৩৮ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



পুঁজিবাজারে লেনদেন ৮৩৮ কোটি টাকা

একটানা মূল্য সংশোধন হচ্ছে পুঁজিবাজারে। টানা পাঁচ কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক কমেছে।

রবিবার দুই বাজারে লেনদেন হয়েছে ৮৩৮ কোটি টাকা। এতে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭৯৪ কোটি টাকা আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৩ কোটি টাকা। যদিও আগের সপ্তাহজুড়েই বাজার সংশোধন হয়েছিল।

আইডিএলসি বলেছে, বাজারে দাম সংশোধন অব্যাহত রয়েছে। এতে দিনের সূচক ১৩ পয়েন্ট কমেছে। ১৮৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমেলেও বেড়েছে ৯৮টি। সব খাতের লেনদেনেই নেতিবাচক, যার মধ্যে স্বল্প মূলধনী কম্পানির শেয়ার দাম কমেছে ০.৬ শতাংশ। অন্যদিকে টেলিকমিউনিকেশন ও জীবন বীমা খাতে যথাক্রমে ০.২ ও ০.১ শতাংশ বেড়েছে। ইতিমধ্যে বাজার নেতিবাচক হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা নিষ্ক্রিয় হয়েছে, শেয়ার হাতবদল কমেছে।

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস গতকাল রবিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭৯৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। আর মূল্যসূচক কমেছে ১৩ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৮৩০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আর সূচক কমেছিল ১০ পয়েন্ট।  

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, লেনদেন শুরুর পর থেকে ক্রমাগতভাবেই সূচক কমেছে। এতে দিনের সূচক ১৩.৬৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৫৭৩ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১০ পয়েন্ট কমে দুই হাজার ১০ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক  ৪ পয়েন্ট কমে এক হাজার ২৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া কম্পানিগুলোর মধ্যে বেড়েছে ৯৮টি, কমেছে ১৮৮টি ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টি কম্পানির শেয়ারের দাম।

লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষে রয়েছে বারাকা পাওয়ার। কম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪৮ কোটি ২১ লাখ টাকা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্সের লেনদেন হয়েছে ৪৭ কোটি ২২ লাখ টাকা আর তৃতীয় স্থানে থাকা আরএসআরএম স্টিলের লেনদেন হয়েছে ৪২ কোটি ৬২ লাখ টাকা। অন্যান্য শীর্ষ কম্পানিগুলো হচ্ছে ইসলামী ব্যাংক, শাশা ডেনিমস, প্যাসিফিক ডেনিমস, বেক্সিমকো লিমিটেড, ইফাদ অটোস, জিপিএইচ ইস্পাত ও অ্যাকটিভ ফাইন।

আরেক বাজার সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। আর মূল্যসূচক কমেছে ৩৭ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ২৪১টি কম্পানির মধ্যে বেড়েছে ৭৩টি, কমেছে ১৪২টি ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টি কম্পানির শেয়ারের দাম।

জিএসকের ৫০০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা : ১৯৭৬ সালে তালিকাভুক্ত হওয়া ওষুধ ও রসায়ন খাতের গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) ২০১৬ সালের ৩১ পর্যন্ত সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ার গ্রাহকদের জন্য ৫০০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। যদিও আগের বছর এই লভ্যাংশ ছিল ৫৫০ শতাংশ। সেই হিসাবে লভ্যাংশ প্রদান আগের বছর থেকে কমেছে। এই সময়ে কম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৫৩.৫১ টাকা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ২১৪.৬৫ টাকা। আগের বছর এই সময় ইপিএস ছিল ৬৮.৯৯ টাকা ও এনএভি ছিল ২১৬.১৫ টাকা। লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য আগামী ২০ এপ্রিল সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ হোটেলে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট ২৩ মার্চ।


মন্তব্য