kalerkantho


‘পিকেএসএফের উদ্ভাবনী কর্মসূচি দারিদ্র্য কমাচ্ছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



দারিদ্র্য দূরীকরণের মাধ্যমে সমাজের প্রান্তিক মানুষদের টেকসই উন্নয়নে যেখানে গ্রামীণ ব্যাংকসহ অনেক ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান সফল হয়নি, সেখানে সফল হয়েছে পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির ওপর ‘রাঙ্গিয়ে দাও’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনে এমন দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

আবদুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের পাশাপাশি পিকেএসএফের নিজস্ব উদ্ভাবনী কর্মসূচির মাধ্যমে এটা সম্ভব হয়েছে। সমৃদ্ধ কর্মসূচি এবং প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির মতো কর্মকাণ্ড এর অন্যতম। তিনি বলেন, দেশে মানুষের গড় আয়ু ৭০ বছরের বেশি হয়েছে। তাই  বয়োবৃদ্ধ মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। তবে এখন ছেলেমেয়েরা এত বেশি ব্যস্ত থাকে যে প্রবীণ মা-বাবার খবর নিতে পারে না। এ অবস্থায় সমাজের দায়িত্ব হয়ে যায় বয়োজ্যেষ্ঠদের দায়িত্ব নেওয়া। পিকেএসএফের এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি উদাহরণ সৃষ্টি করেছে, যা শুধু প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, ব্যক্তিপর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ মিলনায়তনে এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদ। বক্তব্য দেন সংস্থার এমডি আবদুল করিম ও ডিএমডি মো. ফজলুল কাদের প্রমুখ।

 

কাজী খলীকুজ্জমান বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন কার্যক্রমকে টেকসই করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক অগ্রগতির লক্ষ্যে পিকেএসএফ কাজ করে যাচ্ছে। সম্মেলনে জানানো হয়, পিকেএসএফের বহুমাত্রিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রবীণদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মমূচি পরিচালনা করছে। ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯টি সহযোগী সংস্থার কর্ম এলাকায় ২০টি ইউনিয়নে চিহ্নিত করে মোট ৩১ হাজার ৮০৭ জন প্রবীণকে নিয়ে কর্মসূচিটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। কর্মসূচি এলাকায় প্রবীণদের জন্য সামাজিক কেন্দ্র স্থাপন, বয়স্ক ভাতা প্রদান, বিশেষ সঞ্চয় ও পেনশন স্কিম গঠন ইত্যাদি সেবা রয়েছে।


মন্তব্য