kalerkantho


স্নাতকোত্তর ডিগ্রি চালু করছে বিআইডিএস

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



স্নাতকোত্তর ডিগ্রি চালু করছে বিআইডিএস

সরকারের একমাত্র গবেষণা সংস্থা বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) প্রথমবারের মতো স্নাতকোত্তর ডিগ্রি চালু করতে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে দুটি বিষয় খোলা হচ্ছে।

একটি হলো উন্নয়ন অর্থনীতি, অন্যটি সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা। আগ্রহীদের কাছ থেকে সাড়া মিললে পরবর্তী সময়ে আরো বিষয় চালু করা হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। রাজধানীর শেরেবাংলানগরে নিজ দপ্তরে করা সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিআইডিএসকে সেন্টার অব এক্সিলেন্সে রূপান্তরিত করতে চাই। সে জন্য আমরা সেখানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ’ বিআইডিএস ভবনকে বিদ্যমান ছয়তলা থেকে ১০ তলায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে বিআইডিএস মহাপরিচালক কে এ এম মুরশিদ উপস্থিত ছিলেন।

গত বুধবার জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইন-১৯৭৪’ সংশোধন করে নতুন আইন হয়েছে।

নতুন ‘উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইন-২০১৭’ তে কী কী থাকছে সেগুলো জানানোর জন্য সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ‘বিআইডিএস অর্থনীতি, জনসংখ্যাতত্ত্ব ও অন্যান্য সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করবে। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করবে। ’

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, বিআইডিএস একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। নতুন আইনে তাদের ক্ষমতা খর্ব করা হয়নি। প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক, গবেষকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেবে বিআইডিএস বোর্ড। সেখানে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না। তিনি বলেন, বিআইডিএস বোর্ড অব ট্রাস্টিজে আগে সদস্য ছিল ১৪ জন। নতুন আইনে একজন বাড়িয়ে ১৫ জন করা হয়েছে। নতুন সদস্য হবেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য। মন্ত্রী বলেন, কোনো শিক্ষার্থী বিআইডিএস থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে ওই প্রতিষ্ঠানেই গবেষক হিসেবে চাকরি করতে পারবে।

বিআইডিএস মহাপরিচালক কে এ এম মুরশিদ বলেন, আপাতত দুটি বিষয় চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি বিষয়ে ৩০ জন করে দুই বিষয়ে ৬০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে। তিনি বলেন, নতুন আইনটি হওয়ার ফলে বিআইডিএস আরো শক্তিশালী হয়েছে। জিইডি সদস্যকে কেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজে অন্তর্ভুক্ত করা হলো, এ বিষয়ে তিনি বলেন, তথ্য আদান-প্রদানের জন্য জিইডি সদস্যকে ঢোকানো হয়েছে।


মন্তব্য