kalerkantho


৪০০ কোটি টাকা ক্ষতির মুখে বন্ধ লিবার্টি ফ্যাশন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



৪০০ কোটি টাকা ক্ষতির মুখে বন্ধ লিবার্টি ফ্যাশন

তৈরি পোশাক খাতের কারখানা সংস্কারকাজ পরিদর্শনকারী ইউরোপের ক্রেতা জোট প্রতিষ্ঠান অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটির আচরণ অনেকটা মধ্যযুগীয় বলে অভিযোগ করলেন আশুলিয়া থানার জিরানী বাজার এলাকায় ‘লিবার্টি ফ্যাশন ওয়্যারস লিমিটেড’ নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানার মালিক মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, কারখানার সংস্কারকাজ তদারকির জন্য আদালতের রায়ের পরও তাঁদের কারখানা পরিদর্শনের কোনো উদ্যোগ না নিয়ে আদালতের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এর ফলে লিবার্টি ফ্যাশনের কারখানা প্রায় তিন বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অ্যাকর্ডকে অবিলম্বে কারখানাটি পরিদর্শন করে খুলে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

গতকাল সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিবার্টি ফ্যাশনের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক এ দাবি জানান। এ সময় প্রতিষ্ঠানের অন্য পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে মোজাম্মেল হক বলেন, ‘লিবার্টি ফ্যাশন একটি শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া বিশ্বের সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এ কারখানা সম্পূর্ণ কমপ্লায়েন্স। ১৪ বছর ধরে ব্রিটিশ ক্রেতা প্রতিষ্ঠান টেসকোর সঙ্গে ব্যবসা করে আসছিল। কিন্তু রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর টেসকো কারখানার ভবন ও অবকাঠামো পরীক্ষার জন্য স্থানীয় এমসিএস নামের একটি প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়।

তারা ২০১৩ সালের মে মাসে কারখানার ভবন ঝুঁকিপূর্ণ বলে প্রতিবেদন দেয়। ই-মেইলের মাধ্যমে আমাদের সব ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে তা জানিয়ে দেয়। ’ তাদের ক্রেতা প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ বাতিলসহ নতুন অর্ডার বন্ধ করে দেয়। ফলে তাঁরা কারখানা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন। সংবাদ সম্মেলনে লিবার্টি ফ্যাশনের চেয়ারম্যান আরো বলেন, তাঁদের কারখানা সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত হওয়া সত্ত্বেও এমসিএসের ভুল প্রতিবেদন মেনে নিতে সুশারিশ করে অ্যাকর্ড। অন্যদিকে অ্যাকর্ডের ওয়েবসাইটে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বলা হয়, অনেক সহায়তা দেওয়ার পরও লিবার্টি সংস্কারকাজ করছে না।


মন্তব্য