kalerkantho


বাণিজ্যমন্ত্রীর আশা

চামড়া খাতের রপ্তানি হবে পাঁচ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



আগামী ২০২১ সালের মধ্যে দেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। আর ওই সময়ে দেশের মোট রপ্তানি আয় বেড়ে ৬০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১.১৬ বিলিয়ন ডলার।

গতকাল ঢাকার ওয়েস্টিন হোটেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘প্রডাক্ট অব দ্য ইয়ার-২০১৭’ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এমন আশার কথা জানান।

গত ১ জানুয়ারি ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যকে ২০১৭ সালের বর্ষপণ্য বা প্রডাক্ট অব দ্যা ইয়ার-২০১৭ বলে ঘোষণা করেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় যেসব পণ্য রপ্তানিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য তার অন্যতম। চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকার ১৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দিচ্ছে। তবে যারা সাভার চামড়া শিল্পনগরী থেকে এসব পণ্য রপ্তানি করবে তাদের অতিরিক্ত ৫ শতাংশসহ ২০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। ’

তোফায়েল আহমেদ আরো বলেন, ‘চলতি বছরের মধ্যেই চামড়াশিল্প সাভারে স্থানান্তর হবে। এর আগেই চামড়া শিল্পনগরীর অসম্পন্ন কাজ সম্পন্ন করা হবে। শিল্প স্থানান্তরে মালিকদের সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে সরকার।

দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮১ শতাংশ তৈরি পোশাক শিল্প থেকে আসে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, একটি পণ্যের রপ্তানির ওপর নির্ভর না থেকে রপ্তানি পণ্য সংখ্যা বাড়ানো ও নতুন বাজার সম্প্রসারণে সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নতুন নতুন পণ্য রপ্তানিতে সরকার নগদ সহায়তা দিচ্ছে। একই সঙ্গে রপ্তানি খাতকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে গ্রিন ফ্যাক্টরি গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতিমধ্যে গ্রিন ফ্যাক্টরির সংখ্যা ২৭০টিতে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের ২৫টি কারখানাকে গ্রিন ফ্যাক্টরি হিসেবে ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানসহ প্রথম ১০টির সাতটিই বাংলাদেশে। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে, বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলো বিশ্বমানের।


মন্তব্য